পৃথা দাশগুপ্ত: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ঘিরে তাঁর বাড়ির সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি । বিজেপি কর্মী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতি ,ছেঁড়া হয় ব্যানার, কাটআউট। “চোর, চোর” স্লোগানে উত্তাল এলাকা। ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বচসা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা।
আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জন্মদিন উদযাপন শুরু করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। সেই সময় বিজেপির কিছু কর্মী সমর্থকরা কালীঠাকুর আনতে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তখনই দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। চোর স্লোগানের সঙ্গে ছেঁড়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার, কাটআউট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা বাধা দিলে হাতাহাতি বাধে।
বাড়ির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তাঁকে দেখতে পেয়ে পরিস্থিতি আরো উত্তাল হয়। বাড়ে পুলিশের সংখ্যা। পুলিশের সঙ্গে বসচয়ে জড়িয়ে পড়েন সংসদ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির নিচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে বাড়ির ভিতরে যেতে বলে পুলিশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, পুলিশের সামনেই মারধর করা হয়েছে। পরে সকাল ৬টা নাগাদ বাড়িতে ঢোকেন তিনি।
অভিষেক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আমার বাড়ির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তা জানিয়েছিলাম। তারপরই এই হামলা। আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাত দু’টোর সময় বিজেপির গুন্ডারা হামলা চালিয়েছে। আমার এক সহকর্মীর হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে।” তিনি আরও বলেন, “আমার উপর বারবার হামলা করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ কী অবস্থায় আছেন তা বোঝা যাচ্ছে।” খবর পাওয়ার পর সকালে ঘটনাস্থলে যান মমতাপন্থী সাংসদ দোলা সেন। তিনি বলেন, “এভাবে চলতে পারে না। আইন রয়েছে। সর্বপরি মানুষ বিচার করবে।” পালটা দিলীপ ঘোষ বলেন, “এত বড় নেতা ফুটপাতে কেন জন্মদিন পালন করছেন। জানি না কী হয়েছে। মানুষের সহানুভূতি কোড়ানোর পুরনো পন্থা এটা।” বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “যাঁরা ঠক, মানুষকে প্রতারণা করেছে। তাঁদের মানুষ ছাড়বে কেন। যাঁরা ওদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁরা ছাড়বে কেন। চোর ও সাধারণ মানুষকে এক করলে হবে না।”