পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: দীর্ঘদিন ধরেই ডিজে মামলায় কণ্ঠস্বর রেকর্ড নিয়ে টালবাহানা। হাইকোর্টে একের পর এক মামলা। অবশেষে হাইকোর্টের কড়া ধমক। সেই ধমক খেয়ে অবশেষে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ১১ টা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন তিনি। ১১.৪৫ টায় পৌঁছে যান বিধাননগর আদালতে।১.৩০ টা নাগাদ আদালত থেকে বের হন তিনি। তবে আদালতে ঢোকা বা বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন উত্তর দেন নি।
একের পর এক মামলা। একের পর এক এফ আই আর । বেশ চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একবার সিআইডি তলবে হাজিরা দিলেও সিআইডি কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা বলার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।
কণ্ঠস্বরের নমুনার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে তার আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, স্বীকার করে নেওয়ার পরও নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন কী? সেই মামলায় অভিষেককে তীব্র ভর্ৎসনা করেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। বলেন, ‘‘কখন কণ্ঠস্বরের নমুনা দেবেন? সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। তদন্তে সহযোগিতা না করলে আমি রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করব। নোটিসে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করুন। না হলে মামলা খারিজ করে জরিমানা করব।’’
এরপরই ২ টি আবেদন করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর তরফে। প্রথমত, যেন এই কণ্ঠস্বর অন্য মামলায় ব্যবহার করা না হয়। দ্বিতীয়ত, ডিম যেন না ছোড়া হয়।
আদালতের নির্দেশ মেনে আজ বিধাননগর আদালতে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে যান অভিষেক। সকাল ১১ টায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরোন তিনি। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় আদালত চত্বর। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই পৌনে ১২ টা নাগাদ আদালতে পৌঁছন অভিষেক। বেরিয়ে যান দেড়টা নাগাদ।