আর্থিক সহায়তা ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার, বন্যায় মৃতদের পরিবারকে ৯ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য

29

নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়াবহ বন্যায় মৃত ৭৫। চরাইদেও, শিবসাগর, গোলাঘাট এবং যোরহাট জেলার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। এই পরিস্থিতিতে বন্যার্তদের জন্য একগুচ্ছ আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বন্যায় মৃত, নিখোঁজ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পড়ুয়াদের যাবতীয় সাহায্য করবে সরকার। প্রতিটি বন্যাক্রান্ত পরিবারকে সরাসরি ১৫ হাজার টাকা দেবে অসম সরকার।
বন্যায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের ময়নাতদন্ত করা হবে না, জানিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মৃতদের পরিবারকে দেওয়া হবে এককালীন ৯ লক্ষ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লক্ষ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে ৪ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা পাবে মৃতদের পরিবার। এককালীন আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য মৃতের পরিবারকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেশ করতে হবে। সার্কল অফিস থেকে মৃত শংসাপত্র থাকলেই আর্থিক সাহায্য পাওয়া যাবে, বলেছেন হিমন্ত।
ভিডিয়োবার্তায় হিমন্ত জানিয়েছেন, বন্যার্তদের ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার পাশাপাশি এক লক্ষ পরিবারকে দেওয়া হবে ১৫ হাজার টাকা। চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাট, গোলাঘাট জেলার বন্যার্তরা এই আর্থিক সাহায্য পাবে ডায়রেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে। এই সাহায্য শেষপর্যন্ত এক লক্ষের বেশি পরিবারকে দেওয়া হতে পারে, জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাট, গোলাঘাট জেলা। এসব জেলার যেসব মহিলা অরুণোদয় প্রকল্পের সুবিধা পান তাঁদের ২৫০০ টাকা দেওয়া হবে আগস্ট মাসে। এইসঙ্গে ১৫ হাজার টাকা পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, দুটো মিলিয়ে একবারে ১৭,৫০০ টাকা তাঁদের অ্যাকাউন্টে চলে যাবে, বলেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
বন্যায় স্কুলপড়ুয়াদের বইপত্র ভেসে গেছে। এদিকে লক্ষ রেখে আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। চরাইদেও এবং শিবসাগর জেলার বন্যার্ত পরিবারের পড়ুয়াদের দেওয়া হবে স্কুলের পোশাক এবং পাঠ্যবই। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের বই কিনতে দেওয়া হবে এক হাজার টাকা আর স্নাতক স্তরের ছাত্রছাত্রী পাবে তিন হাজার টাকা করে। আর স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়ারা পাবে পাঁচ হাজার টাকা। বন্যায় বইপত্র, অধ্যয়ন সামগ্রীর যে ক্ষতি হয়েছে এই টাকা দিয়ে সেসব পুষিয়ে নেওয়া যাবে, বলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।