চোরবাগানকাণ্ডে শিল্পী সুশান্ত পাল সহ ১২ জন পুলিশ কর্মীকে তলব

7

পৃথা দাশগুপ্ত: চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপে ভয়াবহ বিপর্যয়ে ১৯ জনের মৃত্যু। কিন্তু এর পিছনে ঠিক কী কারণ ছিল, কোথায় ছিল গাফিলতি? সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিট। লালবাজার ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে একের পর এক বিষয় খতিয়ে দেখছে। সূত্রের খবর, মণ্ডপ ও আশপাশে ৩২টি ক্যামেরার ১৬টি ক্যামেরার ফুটেজ পায়নি পুলিশ। পাশাপাশি, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে শিল্পী সুশান্ত শিবানী পাল এবং ঘটনার দিন দায়িত্বে থাকা ১২ জন পুলিশকর্মীকে। বুধবারের মধ্যে তাদের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মণ্ডপ তৈরির নকশা ও কাঠামো কেমন ছিল? থিমের জন্য আলো কতটা ছিল? বিস্তারিত জানতে শিল্পী সুশান্ত শিবানী পালকে তলব করেছে লালবাজার। বুধবারের মধ্যে তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। দর্শনার্থীদের এন্ট্রি -এক্সিট কেমন ছিল? যাতায়াতের ব্যবস্থা কেমন ছিল, সেই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিল্পীকে তলব করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় মোট ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল । এখনও পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক ক্যামেরার ফুটেজ হাতে আসেনি পুলিশের।

কেন ওই ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না? আদৌ কি সিসিটিভি কাজ করছিল? অনেক প্রশ্ন। বাকি যা যা ফুটেজ পাওয়া গেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিযুক্ত ২ ঘোষক, যাঁরা ঘটনার আগে মণ্ডপ ভেঙে যাবে বলে দর্শনার্থীদের বেরিয়ে যেয়ে বলেছিলেন।

ঘটনার দিন চোরবাগান মণ্ডপের সামনে এবং প্রবেশ ও বেরনোর পথে যাঁরা পুলিশি দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখার জন্য সে দিনের ডিউটিতে থাকা ১২ জন পুলিশকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।

বিপর্যয়ের সময় তাঁরা কী করছিলেন? কোথায় তাঁদের ডিউটি ছিল? তা জানতে বয়ান রেকর্ড করা হবে। এছাড়া, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তিন জনকেও আজ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে ডাকা হয়েছে।