জোড়া ফলায় অভিষেক, ৮জুন CID-র তলব পরের সপ্তাহেই তলব ED-র

41

নিউজ ডেস্ক: নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় সই বিতর্কে নাম জড়িয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সিআইডি তলব করেছে অভিষেককে। এবার ইডিও পৌঁছে গেল ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের বাড়িতে। সূত্রের খবর, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের বাড়িতে অভিষেককে সমন নোটিস দিয়েছে ইডি। বুধবার বিকেলে হঠাৎই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে যান ইডির দুজন আধিকারিকরা। যদিও তাঁর প্রথমে শান্তিনিকেতন অভিষেকের বাড়িতে যান। সেখানে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ নেই জানতে পারেন ইডির আধিকারিকরা। এরপরই কালীঘাটের বাড়িতে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেই সময় এই বাড়িতেও ছিলেন না অভিষেক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে যান তিনি। ফলে দীর্ঘক্ষণ বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তদন্তকারীদের। এক নিরাপত্তারক্ষী ইডির ওই সমন গ্রহণ করেন বলে খবর। সূত্রের খবর, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৬ জুন ইডির দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

অভিষেকের বাড়িতে ইডির আধিকারিকরা, বুধবার।



এদিকে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও নাম জড়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই মামলার তদন্তের স্বার্থেও ইডি তাঁকে নিজাম প্যালেস বা সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল। শুধু তিনি নন, তাঁর সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র অফিসে তল্লাশিও চলে। মনে করা হচ্ছে, এই মামলার তদন্তেই তাঁকে আবার ডেকে পাঠানো হয়েছে।
সই জালিয়াতির একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়েকদিন আগে সমন পাঠিয়েছিল সিআইডি। ৮ জুন, সোমবার তাঁকে সশরীরে কলকাতার ভবানী ভবনে (সিআইডি সদর দফতর) হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহের শুরুতেই সিআইডি-র সেই তলব এড়িয়ে যান তিনি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আপাতত ভবানী ভবনে গিয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, এই মর্মে রাজ্য গোয়েন্দাদের কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়ে পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অন্তত ১৫ দিনের বাড়তি সময় চেয়ে নেন। আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইনজীবী দাবি করেন, সিআইডি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে নোটিস পাঠিয়েছে, তা আইনত ঠিক নয়। তাই কলকাতা হাইকোর্ট যেন এই নোটিসটি খারিজ করে দেয়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায় শেষ পর্যন্ত মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আদালত সূত্রে খবর, আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এবার সিআইডির পাশাপাশি ইডিরও তলব।

কয়লা পাচার মামলায় একাধিকবার অভিষেককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ডাকা হয়েছে তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। কয়লা খনি থেকে বেআইনিভাবে কয়লা উত্তোলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ ও টাকা পাচারের অভিযোগেও ইডি তদন্ত চালাচ্ছে।

এদিকে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও নাম জড়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই মামলার তদন্তের স্বার্থেও ইডি তাঁকে নিজাম প্যালেস বা সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল। শুধু তিনি নন, তাঁর সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র অফিসে তল্লাশিও চলে। মনে করা হচ্ছে, এই মামলার তদন্তেই তাঁকে আবার ডেকে পাঠানো হয়েছে।

সই জালিয়াতির একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়েকদিন আগে সমন পাঠিয়েছিল সিআইডি। ৮ জুন, সোমবার তাঁকে সশরীরে কলকাতার ভবানী ভবনে (সিআইডি সদর দফতর) হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহের শুরুতেই সিআইডি-র সেই তলব এড়িয়ে যান তিনি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আপাতত ভবানী ভবনে গিয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, এই মর্মে রাজ্য গোয়েন্দাদের কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়ে পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অন্তত ১৫ দিনের বাড়তি সময় চেয়ে নেন। আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইনজীবী দাবি করেন, সিআইডি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে নোটিস পাঠিয়েছে, তা আইনত ঠিক নয়। তাই কলকাতা হাইকোর্ট যেন এই নোটিসটি খারিজ করে দেয়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায় শেষ পর্যন্ত মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আদালত সূত্রে খবর, আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এবার সিআইডির পাশাপাশি ইডিরও তলব।