তরুণীকে কটুক্তি ৪ কিশোরের ,প্রতিবাদ করায় তরুণীর পুরুষ সঙ্গীকে কুপিয়ে খুন

31

নিউজ ডেস্ক:বিকেল ৩টা ৩৩ মিনিটে আচমকায় দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে ফোন বেজে ওঠে ফোন তুলতেই জানানো হয় দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ডিডিএ) পার্কের ভেতরে দুজন রক্তাত্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে । এরপরই একটি পুলিশ দল দ্রুত অশোক বিহারের পার্কে পৌঁছে যায়। পুলিশ সূত্রের খবর, সুনীল ও দেবকি দুপুর প্রায় ২টা ৩০ মিনিট থেকে অশোক বিহারের বাবা চৌধুরী খিম্মান সিং পার্কের একটি বেঞ্চে বসে ছিলেন। সুনীল ও দেবকী পার্কে বসে থাকার সময় ৪-৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর সেখানে এসে দেবকীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য ও হয়রানি শুরু করে। সুনীল এর প্রতিবাদ করলে বচসা শুরু হয় পরে তা হাতাহাতিতে শুরু হলে কিশোরের দলটি তাঁদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। পুলিশের দাবি অনুযায়ি ,সুনীলের মুখে ও বুকে চার জায়গায় ছুরির আঘাত করা হয়। দেবকি বাঁধাদিতে গেলে দিবকিকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। নিরাপত্তারক্ষীরা দেবকির চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান।ততক্ষণে রক্তে ভেসে গিয়েছে এলাকা। নিরাপত্তারক্ষীরা দেখেন,দেবকি রক্তের পুকুরে পড়ে আছেন। তিনি সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করছেন। অন্যদিকে, সুনীল অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন এবং তাঁর শরীরজুড়ে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ।বেগতিক বুঝে ঘটনাস্থল থেকে তিন কিশোর পালিয়ে পালিয়ে গেলেও একজন ধরা পরে যায়। জখম দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা সুনীলকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায় “দেবকীর অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক, তাই আমরা তাঁর সঙ্গে বেশি কথা বলতে পারিনি। নিহত বছর তিরিশের সুনীল উত্তর প্রদেশের মৈনপুরীর এটাহ জেলার বাসিন্দা। জখম তুরুণী দেবকী জাহাঙ্গিরপুরীর বাসিন্দা। সুনীলের পরিবার উত্তর প্রদেশ (ইউপি) থেকে রওনা হয়েছে, আর দেবকীর পরিবারকে ঘটনাটি সম্পর্কে জানানো হয়েছে।” পুলিশের দাবি, সুনীল ও দেবকী বহু বছর ধরে একে অপরকে চিনতেন। “সুনীল একটি লোহার রড বাঁকানোর কারখানায় কাজ করতেন এবং ব্যবসার কাজে প্রায়ই দিল্লি যেতেন। দেবকী, যিনি একজন কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন দিল্লিতে। এর আগে তাঁদের একাধিকবার দেখা হয়েছিল।”