কালীঘাটে বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলরের কার্যালয় ভাঙার অভিযোগ

42

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:কালীঘাটে বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলরের কার্যালয় ভাঙার অভিযোগ। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিয়ে পোস্ট তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের। কুণাল ঘোষের অভিযোগের পর সামনে এল কলকাতা পৌরনিগমের একটি নোটিস। সেই নোটিস উল্লেখ করেই বিজেপির দাবি , ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায়ের কার্যালয় অন্যের সম্পত্তি দখল করে তৈরি হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পৌরনিগম।

মঙ্গলবার রাতে সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কালীঘাটে বিজেপির গুন্ডামি। ওয়ার্ড ৮৩। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিদায়ী পুরপিতা প্রবীর মুখোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে আচমকা বিজেপির দুষ্কৃতীদের হামলা, ভাঙচুর, তাণ্ডব। দখলদারির চেষ্টা। ছুটে যান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, শ্রীদীপ দাস প্রমুখ। হামলার কড়া নিন্দা করেন জননেত্রী। পুলিশে অভিযোগ করা হয়েছে। ভরসন্ধেয় কালীঘাটে যদি এই হয়, সারা বাংলায় কী চলছে ভেবে নিন। ভালো ভালো বিবৃতি দেওয়া বিজেপি নেতারা দেখতে পাচ্ছেন?’

কালীঘাটে সদানন্দ রোডে বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলরের ওই কার্যালয় গতকাল ভাঙা হয়। কিন্তু, এই ঘটনায় বিজেপির কোনও হাত নেই । রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘কুণাল ঘোষ যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বিদ্বেষপ্রসূত। ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে যে ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে বিজেপির কোনওরকম সম্পর্ক নেই। ঘটনার প্রকৃত তথ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।’

কলকাতা পৌরনিগমের একটি নোটিসের ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘বহু বছর ধরে ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডের অষ্টম বরো এলাকার ৪২, সদানন্দ রোডের একটি সম্পত্তি তৃণমূল কংগ্রেস বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছিল। শুধু ব্যক্তিগত সম্পত্তিই নয়, সংলগ্ন সরকারি ফুটপাতও বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছিল। ওই সম্পত্তির বৈধ মালিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগ এবং অভিযোগকারীর উত্থাপিত বিষয়গুলির ভিত্তিতে কলকাতা পৌরনিগম আইন অনুযায়ী অননুমোদিত কাঠামো অপসারণের পদক্ষেপ করে। সম্পত্তির যে অংশ ভাঙা বা অপসারণ করা হয়েছে, তা শুধুমাত্র পৌরনিগমের বৈধ প্রশাসনিক অভিযানের অংশ হিসেবে করা হয়েছে এবং তা করা হয়েছে সম্পত্তির বৈধ মালিকের দীর্ঘদিনের বেআইনি দখলের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের ভিত্তিতে।’