নিউজ ডেস্ক : শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আমেরিকা-ইরানের শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে সুইজারল্যান্ড সফর বাতিল করে দেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জারেড কুশনার ইতিমধ্যে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছে গিয়েছেন। আরেক মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফও সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে খবর। আমেরিকার সঙ্গে শান্তিচুক্তি নিয়ে বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি হিসাবে থাকতে পারেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতার স্মারকলিপি স্বাক্ষর হয়ে গিয়েছে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাক্ষর করেছেন স্বয়ং ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
লেবাননে ইজরায়েল ও হিজবুল্লার সংঘাতই ইরান-আমেরিকার শান্তিচুক্তির পথে প্রধান ‘কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শুক্রবার অবশ্য লেবানন ও ইজরায়েল দুটি দেশই সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এখন মনে করা হচ্ছে আমেরিকা এবং ইরানের আলোচনায় বসতে আর বাধা নেই।
রবিবার ইরান এবং আমেরিকার সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে বলে ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ওয়াশিংটন এবং তেহরানও তা নিশ্চিত করে। কিন্তু লেবাননে ইজরায়েলের হামলার কারণে সমঝোতা নিয়ে আশঙ্কার মেঘ ছিল। হিজবুল্লা চার ইজ়রায়েলি সৈন্যকে হত্যা করে। তার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ লেবাননে বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েল। মৃত্যু হয় ৪৭ জনের। লেবাননে ইজরায়েলের হামলা না থামলে সমঝোতা হবে না, শর্ত ছিল ইরানের। এবিষয়ে ইজরায়েলের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তার পরেই লেবানন সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করে। আমেরিকা এবং কাতারের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়েছে বলে খবর।