মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী জিতু রায় পুলিশের জালে

16

ব্যুরো রিপোর্ট, গুয়াহাটিঃ অসম পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীর তালিকায় রয়েছে তার নাম। অবশেষে সেই মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী জিতু রায় গ্রেফতার। বাইহাটা চারিআলি থেকে জিতু রায়কে গ্রেফতার করল বরপেটা পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গেও জিতু রায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে গুলি করে পালিয়েছিল জিতু ওরফে ধর্মেশ্বর রায়। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে চুরি করা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল কুখ্যাত এই অপরাধী।
জিতু রায় ওরফে ধর্মেশ্বর রায় এক হাই প্রোফাইল প্রতারক বলেও অভিযুক্ত। গুয়াহাটির লতাশিল থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে পালিয়েছিল জিতু। গাড়ি কেনার ছল করে এক ব্যক্তির গাড়ি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল সে।
বরপেটার এক তরুণীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লুট করেছিল ১০ লক্ষ টাকা। নিজেকে উচ্চপদস্থ অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে ওই তরুণীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করেছিল জিতু।
গাড়ি কেনা-বেচার নামে বহু মানুষকে প্রতারণা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় জিতু। তাছাড়া, সরকারি ঠিকা এবং চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিশাল প্রতারণার জাল বিছিয়েছিল। কুখ্যাত প্রতারক জিতু ওরফে ধর্মেশ্বর রায়ের বিরুদ্ধে অসমের বিভিন্ন থানায় রয়েছে ২২টিরও বেশি অভিযোগ। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে জিতুর বিরুদ্ধে রয়েছে অস্ত্র আইনের অধীনে গুরুতর অভিযোগ।
​শেষপর্যন্ত বরপেটা পুলিশের অপরাধ শাখা বাইহাটা চারিআলি থেকে গ্রেফতার করে কুখ্যাত অপরাধী জিতু ওরফে ধর্মেশ্বর রায়কে। ​গুয়াহাটির প্ৰায় প্ৰতিটি থানাই জিতুকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। জিতুর বিরুদ্ধে পানবাজার, লতাশিল, পল্টনবাজার, চানমারি, বশিষ্ঠ, দিশপুর, নুনমাটি সহ বিভিন্ন থানায় প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে ২২টিরও বেশি।
বরপেটা পুলিশের অপরাধ নিবারণ শাখার অ্যাডিশনাল পুলিশ সুপার সমীরণ বৈশ্য এবং ভারপ্ৰাপ্ত পুলিশ অফিসার শৈলেন কলিতার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জিতুকে গ্রেফতার করে।