মণিপুরে ফের প্রধানমন্ত্রীকে তোপ রাহুল গান্ধীর

20

নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে ফের হিংসা। কামজোং জেলায় ১৫টি ঘর পুড়িয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। ভারত-মায়ানমার সীমান্তে কুকি গ্রাম ফাইমলে রাত সাড়ে বারোটায় ১৫টি বাড়ি জ্বালানো হয়। ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১১৩ নং সীমান্ত থেকে এই এলাকা ৪৫ কিমি দূরে। ১৫টি বাড়ি জ্বালানো হলেও বাসিন্দারা কেউ ছিল না। অতীতের দাঙ্গার জেরে বাসিন্দারা বর্তমানে রয়েছে ১১ আসাম রাইফেলসের শিবর ঐশি গ্রামে। এর পাল্টা হিসেবে সন্দেহজনক কুকি জঙ্গিরা তাংখুল নাগা গ্রামের ৫টি বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। ২০টি বাড়ির অধিকাংশই মায়ানমার থেকে আসা উদ্বাস্তুদের। কেউ হতাহত হয়নি।
মণিপুরে হিংসার ঘটনায় মুখ খুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, রাষ্ট্রপতি শাসন, সরকার গঠনের পরও মণিপুরে হিংসা অব্যাহত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিভাজন নীতির জেরে মণিপুরে জ্বলছে। প্রধানমন্ত্রীর থেকে কোনও পদক্ষেপ নেই। অন্তত দুয়েকটি সান্ত্বনাবাক্যও শোনাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, কটাক্ষ রাহুল গান্ধীর।

মণিপুর দীর্ঘদিন সাক্ষী থেকেছে কুকি ও মৈতেই গোষ্ঠী সংঘর্ষের। তিন বছরের বেশি হয়ে গেল মণিপুরে এখনও শান্তি ফেরেনি। দুটি গোষ্ঠীর অন্তত ৬০ হাজার মানুষ এখনও রয়েছেন আশ্রয় শিবিরে। মাসখানেক ধরে কুকি ও নাগাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। বুধবার রাতের ঘটনায় টাঙ্গাখুল গ্রামের পাশে শাঙ্গালোক ও ফাইকোতে সাতটি বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার খবর এসেছে।
কামজোম জেলায় কুকিরা এই ঘটনার প্রতিবাদ মিছিল করেছে, উল্টোদিকে নাগারা এর দায় ঠেলেছে কুকিদের ঘাড়ে। কুকিদের মতে, মায়ানমারের শান্নি ন্যাশনাল আর্মির সহায়তা নিয়ে নাগা গোষ্ঠী এনএসসিএন-আইএম এই ঘটনায় প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিয়েছে।