একচোখ মন্দিয়ায়, শেরমানের অন্যচোখ থাকবে সেঙার উন্নয়নে

17

ইমানুল হক, বাঘমারা: এক চোখ থাকবে নিজের নির্বাচন কেন্দ্র মন্দিয়ায়। আরেকটা চোখ থাকবে ফেলে আসা সেঙা কেন্দ্রের চর অঞ্চলের দিকে। মন্দিয়ার উন্নয়নে যেমন নজর থাকবে, তেমনই নজর থাকবে সেঙা কেন্দ্রের দিকেও। প্রতিশ্রুতি দিলেন মন্দিয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক শেরমান আলি আহমেদ।

কেন্দ্র পুনৰ্গঠনের পর নবগঠিত সেঙা কেন্দ্রের বাঘমারা চরে এই প্ৰথম পদাৰ্পণ মন্দিয়ার নব নিৰ্বাচিত বিধায়ক শেরমান আলি আহমেদের। স্থানীয় বাসিন্দারা তৃণমূল কংগ্রেসের নবনির্বাচিত বিধায়ক শেরমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। কেন্দ্র পুনৰ্গঠন প্ৰক্ৰিয়ার জেরে সেঙা কেন্দ্রের চর অঞ্চলের মানুষ একজন যোগ্য ও সংগ্ৰামী জনপ্ৰতিনিধিকে হারিয়েছে বলে এলাকার মানুষের প্রবল আক্ষেপ শুনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন শেরমান আলি।

এদিন বাঘমারা চরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবেগে ভাসলেন বিধায়ক শেরমান আলি। বিধায়ক বলেন, শিক্ষার প্রসার এবং অঞ্চলের সৰ্বাঙ্গীন উন্নয়নে তিনি সবসময়ই দায়বদ্ধ। এনিয়ে চতুৰ্থবারের জন্য অসম বিধানসভায় নিৰ্বাচিত বরিষ্ঠ বিধায়ক বলেন, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে নানা ভাবে যন্ত্ৰণা দেওয়ার পরও মন্দিয়া কেন্দ্রের মানুষ তাঁকে গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, এর আগে সাবেক বাঘবর তথা বৰ্তমানের সেঙা কেন্দ্রের মানুষেরও তাঁর প্রতি আশীৰ্বাদ ছিল।

সদ্যসমাপ্ত ২০২৬-এর বিধানসভা নিৰ্বাচনের প্ৰসঙ্গ টেনে শেরমান বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্ৰেসকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু কংগ্ৰেসের সামগ্ৰিক এবং সাংগঠনিক দুৰ্বলতার জন্যই নিৰ্বাচনে এরকম শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে জোট। সেঙা কেন্দ্রের উন্নয়নের আশ্বাস দিয়ে শেরমান বলেন, তিনি মন্দিয়ার বিধায়ক হলেও তাঁর এক চোখ থাকবে মন্দিয়ায় এবং অন্য চোখ থাকবে সেঙ্গার উন্নয়নে।