নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের ভাঙন যেন কিছুতেই থামছে না। ইতিমধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে লোকসভার ২০ জন তৃণমূল সাংসদ NDA-কে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। সোমবার সুখেন্দুশেখর রায় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তৃণমূল থেকেই পদত্যাগ করেছেন। তার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণকে লেখা চিঠিতে অবিলম্বে ইস্তফাপত্র গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন সুস্মিতা দেব । তৃণমূলে যোগ দিয়েই দলের জাতীয় মুখপাত্রের পদ ও রাজ্যসভার টিকিটও পেয়ে যান সুস্মিতা দেব। একসময় অসমের শিলচরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন সুস্মিতা।
সুস্মিতাকে অসম ও ত্রিপুরার দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইত্যিমধ্যেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে দিল্লিতে তিনি মিটিং সেরে ফেলেছেন । হিমন্ত বিশ্বশর্মার হাত ধরেই কি বিজেপি-তে যোগ দিতে চলেছেন সুস্মিতা? সূত্রের খবর, আগামী দিনে বিজেপি-র টিকিটে সংসদে লড়তেও পারেন সদ্য তৃণমূল ত্যাগী এই নেত্রী।

যদিও সুস্মিতা দেব ইস্তফার পর জানিয়েছেন, ‘ আজ সকালে আমি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছি, রাজ্যসভার সিট আমি ছাড়ছি। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দুটি কারণেই আমি তৃণমূল ত্যাগ করেছি।’ তাঁর বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সুস্মিতা জানান, ‘আজ আমি কিছু বলব না। বৃহস্পতিবার আমি আসাম যাচ্ছি। আমার মা ও বোনেদের সঙ্গে দেখা করতে।’
তবে এখনই বিজেপিতে যোগের বিষয়টি মুখে স্বীকার না করলেও সুস্মিতা যে বিজেপি তে যাবেন না এমন কোনও ইঙ্গিতও দেননি। ফলে বুধবারই কার্যত অসম কন্যা সুস্মিতা আগামী দিনে পদ্মফুলের প্রতীকে রাজনীতিতে থাকতে চাইছেন তা এক প্রকার স্পষ্ট।