নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর কাছে পৌঁছে গেলেন যন্তরমন্তরে অনশনকারীরা। যন্তরমন্তরে ২২ দিন অনশনকারী আইসা সভানেত্রী নেহা বরা সহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে ১০ জনপথে বৈঠক করেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
নেহা বরা সহ আরও দুই পড়ুয়াকে পাশে নিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, সরকারের থেকেই খবর আসছে যে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অন্য দফতরের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছাড়া অন্য কোনও ব্যবস্থাই মানবে না পড়ুয়ারা। এইসঙ্গে রাহুল বলেন, দিল্লির ১৫-১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করা হয়েছে, যন্তরমন্তরে সন্ধেবেলা দোকান বন্ধ রাখা হচ্ছে, ইন্টারনেট সংযোগ কেটে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু ভারতের কোনও শক্তিই পডুয়াদের সেখান থেকে তাড়াতে পারবে না। কেননা গোটা দেশ পড়ুয়াদের সঙ্গে আছে।
ফের ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, সোমবার সংসদ চলো অভিযানে পড়ুয়াদের ওপর পুলিশের বর্বরতার জন্য দায়ীদের বিরু্দ্ধে ব্যবস্থা এবং পডুয়াদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন রাহুল গান্ধী।
কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির একটি সূত্র জানিয়েছে যে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই নেই। বরং সরকার ও বিজেপি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পাশে রয়েছে। বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও বেশি রাতে একটি ভিডিয়োবার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ভিডিয়োবার্তায় মোদী বলেছেন, ধন্যবাদ বন্ধুরা, কাল বেশি রাতে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ হয়ে গিয়েছিল। যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলাম তাতে আপনারা যে ভাবে সাড়া, পরামর্শ দিয়েছেন তার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। ভালোবাসা জারি থাকবে। যোগাযোগ বাড়তে থাকবে আরও সক্রিয়ভাবে। গতকাল যারা আমার ভিডিয়ো দেখেছেন ও মূল্যবান পরামর্শ পাঠিয়েছেন, সেই সমস্ত তরুণ-তরুণীকে ধন্যবাদ।
প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়োবার্তাকে কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেন, পরামর্শে কাজ নেই, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা প্রধান দাবি। সেটা আগে হোক।