ভোট দিয়েও লাভ হচ্ছে না! ১৩ বছর ধরে কাছাড় জেলার রাস্তার অবস্থা বেহাল

37

শিলচর : ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার। গোটা রাস্তা গর্তে ভরা। মাঝে মধ্যেই ঘটে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বর্ষায় হাঁটু জলে ডুবে থাকে রাস্তার বেশিরভাগ অংশ। শেষবার রাস্তার কাজ হয়েছিল ১৩ বছর আগে। এরপর অনেক জল গড়িয়েছে বরাক-ব্রহ্মপুত্র দিয়ে। দুবার লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনও হয়ে গেছে। সরকারও বদলেছে। কিন্তু, রাস্তার কোনও সংস্কার হয়নি। আজও বেহাল অবস্থা কাছাড় জেলার রাস্তাঘাটের। অন্নপূর্ণা সেতু থেকে দুধপাতিল দুর্গাবাড়ি পর্যন্ত রাস্তার জরাজীর্ণ অবস্থা। গোটা রাস্তাই খানাখন্দে ভরা। জায়গায় জায়গায় ফাটল। রাস্তার বেশিরভাগ অংশে থমকে বৃষ্টির জল।

গত কুড়ি বছর ধরে এখানকার মানুষ ভোট দিয়ে আসছে বিজেপিকে। কিন্তু তাদের অভিযোগ, শাসকদল ও প্রশাসন গ্রামাঞ্চলের রাস্তা সংস্কারে গত ১০ বছরে তেমন কোনও গুরুত্ব দেয়নি। যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বেশ কয়েক হাজার মানুষের ভরসা অন্নপূর্ণা সেতু থেকে দুধপাতিল সংযোগী এই রাস্তা।

বছর দুয়েক আগে অসমের সব বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। যার ভিত্তিতে এবার বিধানসভার নির্বাচনও হয়েছে। এই পুনর্বিন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল কেন্দ্রের উন্নয়ন। পিছিয়ে পড়া এলাকাকে উন্নয়নের ধারায় শামিল করা। এর আগে এই এলাকা বরখলা বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে ছিল। বিধায়ক ছিলেন কংগ্রেসের মিসবাহুল ইসলাম লস্কর। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনিও কোনও কাজ করেননি রাস্তা ও এলাকার উন্নয়নে। পুনর্বিন্যাসের পর এখন এই অঞ্চল উধারবন্দ কেন্দ্রে যোগ হয়েছে। বর্তমানে এখানকার বিধায়ক বিজেপির রাজদীপ গোয়ালা। রাস্তা ও এলাকার উন্নয়নে রাজদীপ গোয়ালার দিকেই তাকিয়ে অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।