তৃণমূলের এক জয়ী প্রার্থী বাদে বিধানসভায় সকলের শপথ শেষ

28

১৪ মে, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সম্পন্ন হল ২৯০জন বিধায়কের শপথ। বুধ ও বৃহস্পতিবার ২৯০জনকে শপথ বাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। এদিন শপথ নেন হাওড়া, কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম জেলার জয়ী প্রার্থীরা।

শপথ শেষ হওয়ার পরই শুক্রবার স্পিকার নির্বাচন রাজ্য বিধানসভায়। ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রথীন্দ্র বসু। মুখ্যমন্ত্রীও সর্বসম্মতিক্রমে স্পিকার হিসেবে রথীন্দ্র বসুকে বেছে নিতে আবেদন করেছেন।

বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। নওদা ও রেজিনগরের দুটি কেন্দ্র থেকেই জয়ী হুমায়ুন কবীর। শপথের দ্বিতীয় দিনে শুভেন্দুর জন্য পাঁচ প্যাকেট মনোহরা এনে হাজির করেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর কথাও হল। তবে কী কথা হল, মুখ খুলতে চাননি হুমায়ুন। জিজ্ঞাসা করা হলে, সাসপেন্স বাড়িয়ে হুমায়ুনের মন্তব্য, ‘কী কথা হয়েছে, তা গোপনীয়।’

শুরুতেই তৃণমূলের বিধায়ক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। নব নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়কদের মধ্যে এন্টালি থেকে নির্বাচিত সন্দীপন সাহা এবং উলুবেরিয়া পূর্ব থেকে নির্বাচিত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় , বেলেঘাটা থেকে নির্বাচিত কুনাল ঘোষ শপথ নেন বিধায়ক হিসেবে।

শপথের পর অধিবেশন কক্ষ থেকে লবিতে বেরোতেই মুখোমুখি হন কুণাল-শুভেন্দু। হাসিমুখে কুণালকে উদ্দেশ করে শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘জিতে তো গেলেন…’। কুণাল ঘোষও প্রতি সৌজন্যে হাসি দিয়েই নীরব থেকেছেন।

বৃহস্পতিবার অধিবেশন কক্ষে ঢুকতেই চৌরঙ্গী কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ করে ‘জয় শ্রীরাম, ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। পাল্টা নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণ করেন।

শপথ পর্ব নির্বিঘ্নে মিটলেও বাকি থেকে গেল এক বিধায়কের শপথ। চণ্ডীতলা বিধানসভার জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বাতী খন্দকারের। পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি স্বাতী খন্দকার।