আড়াই লক্ষ পুলিশের তত্ত্বাবধানে দেশজুড়ে NEET

39

নিউজ ডেস্কঃ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত NEET। দেশের ৫৫১টি শহরে রবিবার একইদিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিদেশের ১৪টি শহরেও অনুষ্ঠিত হয় পরীক্ষা। অসমের ১৭টি জেলার ৮৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রে NEET হয়েছে। NEET-এ এবার রাজ্যের ৪৩,৩৯১ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। দেশে সবমিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২২ লক্ষ ৮০ হাজার।

ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে NEET। বায়োমেট্রিক ভেরিফিকশেনর পর পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি পান পরীক্ষার্থীরা। নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ছিল গুয়াহাটির সবকটা পরীক্ষাকেন্দ্রও। নগাঁওয়ের সাতটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন ৪,৮২৯ জন। গোয়ালপাড়ার চারটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন ১,৯৯২ জন। ওদালগুড়ি কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে ৫৫৯ জন পরীক্ষা দিয়েছেন। সিপাঝাড় কলেজে পরীক্ষা দিয়েছেন ৩০০ জন এবং বরপেটারোডের GLC কলেজে পরীক্ষা দিয়েছেন প্রায় ৫০০ পরীক্ষার্থী।

NEET-এর প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বিতর্কে জড়িয়ে গিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি ওঠে। প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাওয়ায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা। আবার যাতে কোনও বিতর্ক না হয় সেজন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সবাইকে মুক্তমনে পরীক্ষায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

CCTV-র নিরীক্ষণে ছিল ৯৫ হাজার পরীক্ষাকেন্দ্র
পরীক্ষা ত্রুটিহীন রাখতে গোটা দেশে নিয়োগ করা হয়েছিল আড়াই লক্ষ পুলিশ। পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়োজিত করা হয় ১৫ হাজার আধা সামরিক বাহিনী। প্রশ্নের যোগান দেন বায়ুসেনার বিশেষ বিমান। CCTV-র নিরীক্ষণে ছিল ৯৫ হাজার পরীক্ষাকেন্দ্র। এখানেই শেষ নয়, আরও এক লক্ষ ৩৮ হাজার ক্যামেরাও বসানো হয়েছিল বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে। ব্যবহার করা হয়েছিল ড্রোনেরও।
এবারের NEET পরীক্ষায় AI-র সাহায্য নেওয়া হয়। মোতায়েন করা হয়েছিল ৯০ হাজারের বেশি জ্যামার। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ছিলেন দুজন করে পরিদর্শক। কোনও ধরণের অসঙ্গতি যাতে না হয়, সেটা মাথায় রেখেই আগাগোড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার আগেরদিন শনিবার দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল মকড্রিলও।