এবার যন্তরমন্তরে ধর্না বিরোধীদের

30

নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার গোটা দেশ সাক্ষী থেকেছে বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভের। তার রেশ থাকছে বুধবারও। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বিরোধী সাংসদরা মধ্যাহ্নভোজনের পর বাসে করে চলে যান যন্তর মন্তরে।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে গতকাল অন্তত তিনশো সাংসদ চেয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে। আমরা রাস্তায় নেমে এই দাবি জানিয়েছি। পুলিশ আমাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে। আমরা ঠিক করেছি, প্রতিবাদ-ধর্না-অবস্থান-বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান যন্তরমন্তরে গিয়ে ধর্নায় বসব।
মঙ্গলবার নির্বাচন সদনমুখী মিছিল থেকে হঠাৎই দিল্লির আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢুকে পড়েছিলেন রাহুল, প্রিয়াঙ্কা সহ বেশ কয়েকজন সাংসদ। দিল্লি পুলিশের দাবি, সরকারি কার্যালয়ে প্রবেশের আগে অনুমতি দরকার, কিন্তু আগাম কোনও অনুমতি নেননি রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা। এর পরেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে দিল্লি পুলিশ। এপ্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৫টা এফআইআর হয়েছে, আমি চাই একশোটা হোক। সব এফআইআর আমার কাছে একেকটা মেডেল।
ভোটচুরি এবং স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনি ক্রিয়াকলাপের অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভে মঙ্গলবার দিনভর সরগরম ছিল দিল্লি। নির্বাচন সদনে যাওয়ার পথে বাধা পেয়ে আকাশবাণী ভবনের সামনে প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা অবস্থান-বিক্ষোভ চালানোর পরে দিল্লি পুলিশ আটক করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল, ওয়েনাড়ের কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা-সহ বেশ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় কিংসওয়েতে নিউ পুলিশ লাইনে। সেখানে নিয়ে গিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।