বন্যার অজুহাতে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বাড়িয়ে দিল অসাধু ব্যবসায়ীরা

44

নিউজ ডেস্কঃ নামতে নামতে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে মূল্যবোধ। প্রলয়ঙ্করী বন্যায় গোটা উজান অসম যখন বিধ্বস্ত, ঠিক সেই সময় বন্যার অজুহাত নিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে একাংশ অসাধু ব্যবসায়ী। জল থেকে তেল, বিস্কুট থেকে শাক-সবজি, ডিব্রুগড়ে আচমকাই বেড়ে গেছে জিনিসপত্রের দাম।

প্রলয়ঙ্করী বন্যায় রীতিমতো বিধ্বস্ত উজান অসমের মেরুদণ্ড। ভয়াবহ বন্যার কবলে দিশেহারা উজানের চার জেলার হাজার হাজার পরিবার। এই দুর্যোগের সময়ে গোটা অসম দাঁড়িয়েছে উজানের পাশে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে ত্রাণ, সাহায্য। বন্যাদুর্গতদের হৃদয় উজাড় করে দিচ্ছেন সবাই। কিন্তু এর মধ্যেও বেরিয়ে আসছে সুবিধাবাদী চেহারা।

ডিব্রুগড়ের বাজারে আচমকাই অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম। বিশুদ্ধ পানীয় জল, চাল, তেল থেকে শুরু করে অত্যাবশ্যকীয় প্রায় সব সামগ্রীর দাম আকাশছোঁয়া। শিবসাগর-চরাইদেওয়ে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ দিতে গিয়ে হতবাক গ্রাহকরা।

১১০ টাকার জলের কার্টুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়
৫০ কেজির চালের বস্তার দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত
তেল, ফিনাইল, ডেটল ইত্যাদিরও দামও বাড়ানো হয়েছে
গোটা ডিব্রুগড় জুড়ে পাওয়া যাচ্ছে না ম্যারিগোল্ড বিস্কুট
নিম্ন অসম থেকে যাওয়া শাক-সবজির দামও বেড়েছে

এই প্রতিকুল পরিস্থিতিতে অধিক মুনাফা আদায়ের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। ডিব্রুগড়ের বাজার থেকেই প্রতিবেশী জেলাগুলোয় সরবরাহ হয় নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী। কিন্তু সেই ডিব্রুগড়েই এখন দাম বেড়ে গেছে জিনিসপত্রের। যার পরিণতি ভোগ করতে সাধারণ মানুষকে।


যোগান বিভাগের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেন সবকিছু। অস্বাভাবিক এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছে বিভিন্ন দল, সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এটাই হবে দেখার।