নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর নামে ছিল ১ কোটি টাকার বীমা। স্ত্রী মারা গেলেই পাওয়া যাবে বিপুল পরিমাণে অর্থ। সেই লোভেই কি খুন হলেন বধূ? উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

এক নজরে
তেলেঙ্গানায় বধূর রহস্যজনক মৃত্যু
গত বৃহস্পতিবার রাতে তেলেঙ্গানার খাম্মাম জেলার তিরুমালায়পালেম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এদিন রাতে রহস্যজনক অবস্থায় উদ্ধার হয় বানথ মীনাক্ষী(২৯) নামে এক বধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় স্থানীয় পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় হাসপাতালে। মীনাক্ষীর পরিবারের অভিযোগ, বীমার টাকার লোভেই মীনাক্ষীকে খুন করেছে তার স্বামী শিবাজি(৩৪)। হত্যার ঘটনাকে আড়াল করতেই নাকি সে মীনাক্ষীর দেহ ঝুলিয়ে দেয়। যাতে প্রমাণিত হয়, মীনাক্ষী আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ কী বলছে?
ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ। দায়ের হয়েছে একটি মামলা। তবে মামলায় এখনও হত্যার কোনও ধারা সংযোজন হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মীনাক্ষীর স্বামী বিদ্যুৎ বিভাগের একজন চুক্তিভিত্তিক কর্মী। ১৪ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। এরফলে মীনাক্ষী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
হত্যার নেপথ্যে কি বীমা?
মীনাক্ষীর পরিবারের অভিযোগ, বীমার জন্যই মীনাক্ষীকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, ঋণে জর্জরিত ছিল শিবাজি। প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার দেনা ছিল। বিপরীতে মীনাক্ষীর নামে ছিল ১ কোটির বীমা। তাই বীমার টাকা পেতে শিবাজি মীনাক্ষীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। পুলিশ জানিয়েছে, বীমার জন্য হত্যাকাণ্ড, তার কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। সাব ইন্সপ্যাক্টর কে জগদীশ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, রহস্যজনক মৃত্যুর নেপথ্যে দাম্পত্য কলহ মূখ্য কারণ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বীমার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। প্রমাণ পেলে মামলায় অন্তর্ভুক্ত হবে সংশ্লিষ্ঠ ধারা।