নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানকে কীভাবে ভারত কড়া জবাব দিয়েছে, দেখেছে বিশ্ব। তার আগে সার্জিকাল স্ট্রাইক। বিদেশ থেকে আনা উন্নত যুদ্ধ বিমানে কাবু হয়েছিল পাকিস্তান। এবার ভারত দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধ বিমানে জবাব দিতে তৈরি হচ্ছে। এই বিমান হবে পঞ্চম জেনারেশন প্রযুক্তির। দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে ফাইটার জেট। আত্ম নির্ভর ভারতে আরো এক কদম আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
এবার আর ভারত শুধুমাত্র লড়াকু বিমান কিনবে না। দেশেই স্টেল্থ ফাইটার জেট তৈরিতে হাত লাগিয়েছে মোদী সরকারের ভারত।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আওতায় ‘অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট’ (AMCA) তৈরির জন্য ৪টি প্রস্তাব দিয়েছে। এটাই হবে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির পঞ্চম জেনারেশনের স্টেল্থ ফাইটার জেট।

প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই যুদ্ধ বিমান তৈরিতে সরকারি সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনোটিক্স লিমিটেড বা HAL-কে এই প্রকল্পের বাইরে রেখেছে। এর জায়গায় ৩টি বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই তিন সংস্থা: টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেম, লার্সন অ্যান্ড টুব্রো ( L&T-BEL-Dynamatic consortium), ভারত ফর্জ বিইএমএল ডাটা প্যাটার্নস কনসোর্টিয়াম (Bharat Forge-BEML-Data Patterns consortium)। ১৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে কেবলমাত্র বাছাই করা কিছু বেসরকারি সংস্থাই কাজ করবে। অন্ধ্রপ্রদেশে তার জন্য হচ্ছে একটি গ্রিনফিল্ড সুবিধা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে AMCA-র পাঁচটি প্রোটোটাইপ তৈরি করা হবে।
DRDO-ADA-র সহযোগিতা:
সরকার সম্পূর্ণ প্রজেক্টের জন্য অর্থ দেবে। বরাত পাওয়া সংস্থাকে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)-এক অন্তর্গত অ্যারোনটিক্যাল ডেভলপমেন্ট এজেন্সি (ADA)-র সঙ্গে কাজ করতে হবে। অন্ধ্রপ্রদেশের পুট্টপর্থী এলাকায় ৬৫০ একর জমিতে এই ফাইটার জেট তৈরির কাজ চলবে।
কত সময় লাগবে?
প্রথম লেভেলের কাজে সময় লাগতে পারে ২০২৭ সালের জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত। ২০২৮-৩২ সালের মধ্যে প্রথম প্রোটোটাইপ বিমান তৈরি হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০৩৫ সালের পর ভারতীয় বায়ুসেনায় সামিল করা হতে পারে এই বিমানকে।
আত্মনির্ভর ভারতের নতুন চমক:
AMCA শুধু বায়ুসেনার শক্তিই বাড়াবে না। দেশের ফাইটার জেট নির্মাণের ক্ষেত্রে বিশ্ব মানচিত্রেও একটি উল্লেখযোগ্য জায়গা পাবে ভারত।