নেশা মুক্তি কেন্দ্রে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ,আটক ২

8

নিউজ ডেস্ক: নামে পুনর্বাসন কেন্দ্র। মোটা টাকার বিনিময়ে মাদকাসক্তদের নেশা থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা। কিন্তু বাস্তব চিত্রটি একেবারে অবিশ্বাস্য। চিকিৎসার নামে নেশা মুক্তি কেন্দ্রে অমানুষিক অত্যাচারের গুরুতর অভিযোগ। সেই অত্যাচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ার পর পুলিশের তৎপরতা। বিশ্বনাথে এরকম দুটি রিহ্যাব সেন্টারের নৃশংসতা প্রকাশ্যে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। দুটি কেন্দ্রের দুটি ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গেছে দুই মাদকাসক্তের উপরে ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্য। অভিযোগ, রিহ্যাব সেন্টারের মালিক এবং কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল ভিডিওগুলো ২০২৪ এবং ২০২৫ সালের।
ভয়ঙ্কর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই সমাজ কল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে বিশ্বনাথ চারিআলি সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে দুই রিহ্যাব কেন্দ্রের দুই মালিককে আটক করেছে পুলিশ। তবে, তদন্তের স্বার্থে রিহ্যাব সেন্টারের নাম প্রকাশ করা হয়নি। ধৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বিশেষ সূত্ৰে জানা গেছে, তদন্তের পর আরও কয়েকটি রিহ্যাব সেন্টার এবং মালিকের বিরুদ্ধেও পুলিশি অভিযানের সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, আগেও রিহ্যাব সেন্টারে চিকিৎসাধীন তরুণের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। তাতে তুমুল বিতৰ্কেরও সৃষ্টি হয়েছিল। সেই মৃত্যুর ঘটনাও এবারের তদন্তের আওতায় নিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। নেশা মুক্তির চিকিৎসার নামে রিহ্যাব সেন্টারের অমানবিক কার্যকলাপে বিশ্বনাথে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ধিঙের রিহ্যাব সেন্টারে নির্মম টর্চার

এদিকে, ধিঙের এক অবৈধ রিহ্যাব সেন্টারে আবাসিকদের উপরে ভয়ঙ্কর শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ। মুখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ভুয়ো রিহ্যাব সেন্টার কৰ্তৃপক্ষের চম্পট। অভিযোগ, রিহ্যাব সেন্টার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় কোনও নথিপত্ৰই ছিল না। ছিল না এমনকি কোনও ডাক্তারও। ধিঙের চমুয়াগাঁওয়ের এই রিহ্যাব সেন্টারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ আগেও উঠেছে।