কলকাতায় ২১ জুলাইয়ের ৩ সভা, নিরাপত্তা ও‌ যান‌ নিয়ন্ত্রণ চ্যালেঞ্জ পুলিশের

13

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: ২০২৬ এর ২১শে জুলাই ছবিটা একেবারে আলাদা। রাজ্যে পালাবদলের পর শহিদদের নিয়ে শুরু হয়েছে টানাটানি। কারা আসল তৃণমূল? এই নিয়ে চলছে তরজা। মঙ্গলবার একুশে জুলাই উপলক্ষে কলকাতায় আড়াই কিলোমিটার এর মধ্যে তিনটি মঞ্চ। একটি কালীঘাট তৃণমূলের, একটি ঋতব্রত তৃণমূল, তৃতীয় মঞ্চটি কংগ্রেসের। স্বাভাবিকভাবেই আঁটসাঁটো নিরাপত্তাই চ্যালেঞ্জ পুলিশের।

সূত্রের খবর, শহিদ মিনার, গান্ধী মূর্তি এবং বিড়লা প্ল‍্যানেটরিয়ামের সামনে যথেষ্ট পরিমাণে বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। তিনটি জায়গার জন্য ১ হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হবে। সেন্ট্রাল ডিভিশন ও সাউথ ডিভিশন -সহ অন্তত পাঁচজন ডেপুটি কমিশনার থাকবেন সভাস্থলে। এইচআরএফএস, র‍্যাফও মোতায়েন করা হচ্ছে। অশান্তি এড়াতে যথেষ্ট পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছেও।

এবার সভার কারণে কোনও রাস্তা বন্ধ করা হচ্ছে না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, একদিকে রাস্তা খুলে সভা করতে হবে। সময় ও বেঁধে দিয়েছে আদালত। তবে যানজটের আশঙ্কা থাকছেই। শহিদ মিনারের সভার জন্য মেয়ো রেড ও রেড রোডে সমর্থকদের ভিড় স্বাভাবিক। ফলে গাড়ি চলাচল করলেও গতি স্লথ হবে। গাড়ির গতি স্লথ হবে ডাফরিন রোডেও। ক্যাথিড্রাল রোডের জন্য গাড়ি থাকবে দুই মুখী রাস্তায় এক দিক দিয়ে। দুপুর ১ টার আগে হরিশ মুখার্জি দিয়ে যাবে পার্ক স্ট্রিটের দিকে ও দুপুর ১ টার পরে পার্ক স্ট্রিটের দিক থেকে হারিশ মুখার্জির দিকে। গাড়ির গতি স্লথ হতে পারে ভিক্টোরিয়ার সামনে ক্যাথিড্রাল রোড ক্রসিংয়েও।

কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের কর্মসূচি:
ক্যাথিড্রাল রোডের এক দিক বন্ধ থাকবে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, অন্য দিনের মতো খোলা থাকবে ক্যাথিড্রাল রোডের পশ্চিম দিকের উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিক যান চলাচল করবে।

ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের কর্মসূচি:
মেয়ো রোডের একাংশে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। তবে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। পুলিশের মতে, শহিদ মিনারে কংগ্রেসের সভার জন্য যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের তেমন কোনও প্রয়োজন নেই।

মঙ্গলবার কলকাতার কিছু জায়গায় গাড়ি চলাচলের গতি শ্লথ হতে পারে। পরিস্থিতি বুঝে ওই এলাকার যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। সেই সময়কার অবস্থা বিবেচনা করে অন্য পথে গাড়ির অভিমুখ ঘোরানো হতে পারে।