বারুইপুর কাণ্ডে এনকাউন্টারের তদন্তে সি আই ডি

46

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:মঙ্গলবার রাতে পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। কিন্তু কি ঘটেছিল মঙ্গলবার রাতে? ইতিমধ্যে বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। এ বার এনকাউন্টারের রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, সেই তদন্তভার তুলে দেওয়া হল রাজ্য পুলিশের সিআইডি-র হাতে।

বারুইপুরের এনকাউন্টারের সমস্ত রিপোর্ট বুধবার সংগ্রহ করেন কলকাতা পুলিশের ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। আজ নবান্নের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঘটনার তদন্ত করবে সিআইডি।

বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে প্রভাস মন্ডলের। বারুইপুর কাণ্ডের প্রথম গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর। ১২.৪৫ নাগাদ সূর্যপুরে প্রভাসকে নিয়ে পুনঃনির্মাণের জন্য যায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি এক পুলিশ আধিকারিক এর সার্ভিস রিভলবার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। এরপর আত্মরক্ষার্থে পাল্টা পুলিশও গুলি চালায়। গুলি লাগে প্রভাসের গায়ে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

যেহেতু বারুইপুর পুলিশ জেলার এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাসের, তাই বারুইপুর পুলিশ জেলা এই তদন্ত করতে পারে না। সেই কারণে এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখবেন সিআইডি-র আধিকারিকেরা। নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ এনকাউন্টারের ক্ষেত্রে বিচারবিভাগীয় তদন্ত হয়। সেই তদন্ত প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। সিআইডি-র তদন্তের পাশাপাশি ওই বিচারবিভাগীয় তদন্তও চলবে সমান্তরাল ভাবে।