২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের অনুমতি দিল কলকাতা পুলিশ

25

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:শনিবার অনেক রাত পর্যন্ত কলকাতার বোটিং ক্লাবে দলের সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান , ” কলকাতা পুলিশ আমাদের একুশে জুলাই পালন করবার অনুমতি দিয়েছে। আপাতত আমাদের প্রথম রাজনৈতিক লক্ষ্য ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন। সেই উপলক্ষে ধর্মতলার জওহরলাল নেহরু রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।’’

অনুমতি পাওয়া হয়ে গিয়েছে। চলছে জোরকদমে প্রস্তুতি। ঋতব্রতপন্থী শিবির জানিয়েছে, ২১ জুলাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, পাশাপাশি সংগঠনের শক্তি ও জনসমর্থনেরও বড় পরীক্ষা হবে ওই দিন। একই দিনে দুই তৃণমূল শিবিরের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা।‌

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের এটা অন্যতম প্রধান কর্মসূচি। লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে এই কর্মসূচিকে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত করেছিলেন তিনি। তবে এবার ছবিটা একেবারে অন্য।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক পরিস্থিতিও বদলেছে। পালাবদলের পর তৃণমূলের দুটো শিবির বিভক্ত হয়েছে। ‌ কালীঘাট পন্থী তৃণমূল আগেই ঘোষণা করেছেন, অনুমতি না পেলেও প্রয়োজনে অল্প সংখ্যক কর্মী-সমর্থককে নিয়ে তিনি ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন করবেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় শহিদ দিবস ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনেই করতে চায়। শহীদ দিবসকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাইকোর্টেরদ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট-তৃণমূল।

কলকাতা পুলিশের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি মেলার পর সাংগঠনিক ভাবে কর্মসূচির প্রস্তুতি চালাচ্ছে ঋতব্রত তৃণমূল শিবির। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সভার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ লিখিত আকারে প্রকাশ করবে, ঋতব্রত শিবির। ‌