নিউজ ডেস্ক: সংসদ চলো অভিযানে অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের পাশে নিয়ে দিল্লির ১০ জনপথে সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধী। নিজে বলেছেন কম, পড়ুয়াদের বলতে দিয়েছেন বেশি।
রাহুলের কথায়, পড়ুয়াদের ‘ক্ষমা’ করার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্যে পড়ুয়াদের বাড়িতে ‘গুন্ডা’ পাঠিয়ে ক্ষমা চাওয়ানো হচ্ছে। চাপ দিয়ে ক্ষমা চাওয়ানো এবং তার পর তা গ্রহণ করার রাজনীতি চলছে, ননসেন্স।
এরপর বিক্ষোভকারী পড়়ুয়াদের উদ্দেশে রাহুলের পরামর্শ, তোমরা ক্ষমা চাইবে না। তোমরা কোনও ভুল করোনি। তোমরা দেশের সংবিধান, শিক্ষাব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে নেমেছ।
রাহুলের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদী পড়ুয়ারা রিয়া আহির বলেন, মুম্বাইয়ের রাস্তায় পুলিশের গাড়ি আটকে দিয়েছিলাম। মিডিয়া বলছে, আমি মুম্বই পুলিশকে আটকে দিয়েছি। না, আমি ২০ জন নিরপরাধ পড়ুয়াকে মুক্ত করেছি। বয়ান বদলান, আপনাদের চিন্তা বদলান।
এক পড়ুয়া বলেন, আমরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চাইতে ছররা গুলি-পেরেক লাগানো লাঠি চালানো হল, অমিত শাহর ইস্তফা চাইলে তো আমাদের মেরে ফেলত!
মুসকান শর্মা নামের এক তরুণী বলেন, আমার নাম শুনেই সবাই মুসলিম বলে দাগিয়ে দিচ্ছে। বুঝতে পারছি না, শিক্ষাব্যবস্থার ফাঁক নিয়ে কথা বললে হিন্দু-মুসলমান প্রসঙ্গ আসছে কোথা থেকে? উত্তর প্রদেশের পড়ুয়া ফারহানের অভিযোগ, আমার নাম দেখে ধর্ম চিহ্নিত করে পুলিশ আলাদা তালিকা করেছিল।’
একেবারে শেষে কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেন, পড়ুয়ারা গোটা দেশের সংবাদমাধ্যমের সামনে আসছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।