পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:মারাত্মক ঘটনা। খাস দক্ষিণ কলকাতার এক নামকরা স্কুলে সাপের ছোবল। তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার পর সাপের ছোবল খায় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, ঘটনার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ । উপরন্তু ওই ছাত্রীকে নিজেদের মেডিসিন সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর পর বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফেরার পর অভিভাবকরা পায়ে সাপের কামড়ের দাগ দেখতে পেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেই পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরিবারের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে আনন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, সাপটির বিষ ছিল না এবং শিশুটি আপাতত বিপন্মুক্ত। আপাতত ছাত্রীটি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। জানা গিয়েছে, সাপটি লম্বায় প্রায় দেড় ফুট এবং গায়ের রঙ সাদার ওপর হলুদ ছোপযুক্ত ছিল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আপাতত ভয় নেই, কিন্তু সাপের ছোবল , তাই আতঙ্কিত ছাত্রীর পরিবার। স্কুল ক্যাম্পাস বিরাট বড়। ভিতরে রয়েছে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একই ক্যাম্পাসে সবটা। ঝা চকচকে ক্যাম্পাস। কিন্তু তারপরও সেখানে সাপ ঢুকল কীভাবে? স্কুলের বাইরেই রয়েছে জলাশয়। সেখানে একাধিকবার সাপ দেখতে পেয়েছে পড়ুয়ারা, অভিভাবকরাও। কোনোভাবে সেখান থেকে সাপ চলে এসেছে এমনটাই প্রাথমিক অনুমান। স্কুল কেন প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিল ? কেন পরিবারকে স্কুলের পক্ষ থেকে খবর দেওয়া হল না ? দক্ষিণ কলকাতার নামকরা স্কুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শহরের এক অভিজাত স্কুলের শৌচাগারের ভেতরে কীভাবে সাপ এল? অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক , ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যদিও স্কুলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। পাশে জলাশয় থাকার পরেও, স্কুল কর্তৃপক্ষ কেন কোনো পদক্ষেপ করল না? প্রশ্ন উঠছে।