নিউজ ডেস্ক: বিরনিহাট-জোড়াবাট পথ উভয় দিকে বন্ধ থাকায় যাত্রীদের বিকল্প পথ ব্যবহারের করার পরামর্শ মেঘালয়ের রি-ভোই জেলা প্রশাসনের। বুধবার শিলংয়ে খাসি ছাত্র সংগঠনের মিছিলের পর অশান্ত দুই রাজ্যের সীমান্তবিন্দু। দুদিন ধরে গুয়াহাটি থেকে শিলং বা শিলং থেকে গুয়াহাটি পথে বাণিজ্যিক গাড়ি চলাচল স্তব্ধ।
এই পরিস্থিতিতে মেঘালয়ের যারা গুয়াহাটি যেতে চায় এবং গুয়াহাটি থেকে যারা মেঘালয়ে ফিরতে চায় তাদের বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে রি-ভোই প্রশাসন।
শিলং, নংপো এবং বিরনিহাটের যাত্রীরা যারা গুয়াহাটির গোপীনাথ বরদলৈ বিমানবন্দর বা রেল স্টেশনে যেতে চায় তাদের জন্য বিকল্প পথ বলা হয়েছে বিরনিহাট-পিলিংকাটা-কিলিং এবং নংপো-পাথারখমাহ-রানি।
মেঘালয়ের যারা গুয়াহাটি বিমানবন্দর বা রেলস্টেশন থেকে নিজের রাজ্যে ফিরতে চায় তাদের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বশিষ্ঠ-পিলিংকাটা-কিলিং পথ অথবা রানি-পাথারমুখ-মৈরাং পথে চলাচল করতে।
জোড়াবাট-বিরনিহাট পথ কিছুতেই ব্যবহার না করার পরামর্শ রি-ভোই জেলা প্রশাসনের। বিবৃতি জারি করেছেন রি-ভোই জেলাশাসক অভিষেক সাইনি।
এদিকে, মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অসম-মেঘালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তোপ দেগেছেন কনরাড সাংমা সরকারকে। মুকুল সাংমা বলেছেন, সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ২০-২৫ বাইক আরোহীকে সরকার সামলাতে পারেনি, প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ, সরব মুকুল সাংমা।
মেঘালয় সরকার সামাজিক গোষ্ঠীগুলির সতর্কতা উপেক্ষা করেছে, এই ধরনের পরিস্থিতি হতে পারে সেটা মূল্যায়নে চরম ব্যর্থ, বাইক মিছিল ঘিরে পুলিশের প্রস্তুতিও ছিল না, বলেছেন মুকুল সাংমা।
এইসঙ্গে মুকুল সাংমা সতর্ক করে দিয়েছেন যে এই পরিস্থিতিকে মেঘালয় এবং অসমের বিরোধ বলে দাগিয়ে দেওয়া চলবে না। মেঘালয়ের সরকারের উচিত শিলংয়ে হিংসার দায় স্বীকার করা। এই পরিস্থিতিতে ২৪ আগস্ট থেকে মেঘালয় বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে।
বুধবার শিলংয়ে হিংসার অভিযোগে ধৃত খাসি ছাত্র সংগঠনের তিন নেতাকে শিলং থেকে সরিয়ে গারো পাহাড়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে নিরাপত্তার স্বার্থে।
Next Post