বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে অবৈধ খননের অভিযোগ অখিলের

25

নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে অসমে অবৈধ কয়লা সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈয়ের। শিবসাগর জেলায় বিধ্বংসী বন্যার কারণ হিসেবে অবৈধ খনন উঠে এসেছে। আর রাইজর দলের বিধায়ক অখিল গগৈ অভিযোগ করেছেন অসমের জলসম্পদ মন্ত্রী সুশান্ত বরগোহাঁই, সোনারির বিধায়ক ধর্মেশ্বর কোয়ঁর এবং বিধায়ক ময়ূর বরগোহাঁইয়ের। অখিলের অভিযোগ, বিজেপির এই নেতারাই দিখৌ নদীর পাড়ে অবৈধ খননে যুক্ত। এখানেই না থেমে অখিল বলেছেন, এঁদের অবৈধ কয়লা সিন্ডিকেটে মদত দিচ্ছেন অসমের অর্থ, পরিবেশ ও বন, খনি মন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া।
ফেসবুক লাইভে অখিলের অভিযোগ, মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে বন্যা হয়নি, যেমন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেছেন, বরং এই বন্যার বিভিন্ন কারণ রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম দিখৌ নদীর পাড়ে অবৈধ খনন। অখিল দাবি করেছেন যে তিনি বন্যার কারণ, ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করতে ড্রোনসজ্জিত একটি দল পাঠিয়েছেন।
অখিল বলেছেন, দিখৌ নদীর পাশে পাঁচটি জলরোধী বাঁধ আছে যেখানে পাথর খনন চলছে। খননের ফলে জলরোধী বাঁধের ভিত নষ্ট হচ্ছে এবং নদীর উপচে পড়া জল আটকাতে পারেনি। অবৈধ খননের ফলে জল প্রতিরোধী পাথরের পাড় ক্ষতিগ্রস্ত অথবা সরে গেছে, বন্যার জল হু হু করে ঢুকেছে বসতি এলাকায়।
অখিল অভিযোগ করেন যে জলসম্পদ মন্ত্রী সুশান্ত বরগোহাঁই, সোনারির বিধায়ক ধর্মেশ্বর কোয়ঁর এবং বিধায়ক ময়ূর বরগোহাঁই এই সিন্ডিকেটের অংশ। অখিলের মতে, শুধু নদীর পাড় ক্ষতিগ্রস্ত নয়, অবৈধ খননের ফলে শিবসাগরে চা-বাগানগুলির ক্ষতি হয়েছে।
সরকারের ত্রাণ বণ্টনে অনিয়ম নিয়ে সরব অখিল গগৈ। তিনি বলেছেন, মাত্র ১০ শতাংশ বন্যাক্রান্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছেছে। এমন চাল দেওয়া হয়েছে যার থেকে গন্ধ বেরোচ্ছে। এসব চাল মানুষ তো দূরের কথা, গৃহপালিত জীবজন্তুও খেতে পারে না।
এরপর হুমকি দিয়ে অখিল বলেছেন, বন্যাক্রান্তরা যদি ত্রাণের অর্থ, সামগ্রী ঠিকঠাক না পায় তাহলে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার টেবিলের ওপরে তাণ্ডব নৃত্য করব।