অন্ধ্রপ্রদেশে উত্তর-পূর্বের ছাত্রীদের সঙ্গে তেলুগু ছাত্রীদের সংঘর্ষ

41

নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ায় একটি নার্সিং কলেজের ছাত্রাবাসে হারানো মোবাইল ফোন নিয়ে সামান্য বিবাদ স্থানীয় তেলুগু ছাত্রছাত্রী এবং নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের ছাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।


জেলাশাসক এম এন হরেন্দ্রপ্রসাদ এবং পুলিশ সুপার বিন্দু মাধব হস্তক্ষেপ করার পর, ছাত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন এবং হারানো ফোনটি উদ্ধার করার মাধ্যমে এসকে কলেজ অফ নার্সিং-এর মেয়েদের ছাত্রাবাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।


সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে, প্রশাসন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর ৩১ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষিত কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের একটি পৃথক স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।


দুই ছাত্রীর মধ্যে একটি সামান্য বিবাদ সম্পূর্ণরূপে সমাধান করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, বলেছেন কালেক্টর প্রসাদ। তিনি আরও বলেন যে, চুরির অভিযোগ থেকে এই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হয়েছিল, কিন্তু মোবাইল ফোনটি তার মালিককে ফেরত দেওয়া হয়েছে।


স্থানীয় সর্বভারাম থানায় মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার অভিযোগ করেন মণিপুর-নাগাল্যন্ডের ছাত্রীরা। হোস্টেলের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ নিয়ে মণিপুরের ছাত্রীরা তাদের মুখ্যমন্ত্রী খেমচান্দ সিংয়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।


মোবাইল ফোন চুরি নিয়ে নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশের তেলুগু ছাত্রীদের তুমুল বচসা এবং হাতাহাতি হয়েছে। থালা, বালতি, ঝাঁটা, জুতো নিয়ে পরস্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ছাত্রীরা। সংঘর্ষে এক তেলুগু ছাত্রী মাথায় আঘাত পেয়েছেন। কাকিনাড়ার এসকে নার্সিং কলেজের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুকে।


অন্য রাজ্যের পড়ুয়াদের নাম জড়িয়ে যেতেই সক্রিয় হন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। কলেজ হস্টেলে পৌঁছে যান জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সঙ্গে ছিল পুলিশও। মণিপুরের ছাত্রেরা ‘আক্রান্ত’, এমন খবর পাওয়ার পরেই অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন মণিপুরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ। পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসনকে ‘সময়োচিত পদক্ষেপ’ করার জন্য চন্দ্রবাবুকে ধন্যবাদ জানান বীরেন।