দিল্লির ভেঙে পড়া বহুতলের মালিক গ্রেফতার

36

নিউজ ডেস্ক: দিল্লির ভেঙে পড়া বহুতল সত্য নিকেতনের মালিক গ্রেফতার। হরিরাম গুপ্তকে গুরুগ্রামের কাছে ভিওয়ান্ডি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে দিল্লির বহুতল ভেঙে পড়ায় মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বেশ কয়েকজনের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে।
হরিরাম গুপ্তাকে গ্রেফতারের পাশাপাশি বহুতল ভেঙে পড়ায় পাঁচ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে দিল্লি সরকার। দিল্ল পুরসভার ডেপুটি কমিশনার, এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার এবং এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সাসপেন্ড।
এর আগে, হরিরাম গুপ্তার সন্ধানের অংশ হিসেবে দিল্লি পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার জারি করেছিল এবং তাঁর পাসপোর্টের বিবরণ সংগ্রহ করেছিল।
এলওসি জারির পর তাঁকে খুঁজে বের করার জন্য পুলিশের একাধিক দলকে কাজে লাগানো হয়, এর মধ্যে তিন-চারটি দল তার সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলোতে তল্লাশি চালায়।
পুলিশ ‘সেক্টর ২৩’-এও যায়, যেখানে গুপ্তার মালিকানাধীন হরিরাম পেইন্টস অ্যান্ড হার্ডওয়্যার নামের দোকানটি গত দুদিন ধরে বন্ধ ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গুপ্তা প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই দোকানটি চালাচ্ছিলেন এবং এলাকার অন্যতম বিশিষ্ট হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
প্রতিবেশীরা আরও জানিয়েছেন যে, সেক্টর ২৩ এবং পালাম বিহার এলাকায় গুপ্তা পরিবারের বেশ কয়েকটি বাড়ি রয়েছে।
রবিবার মেরামতের কাজ চলাকালীন দিল্লির পাঁচতলা পিজি আবাসন, ভবন সত্য নিকেতন, যা ‘হোস্টেল ডেজ’ নামে পরিচিত, ধসে পড়ে।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভবনটি অবস্থিত ছিল এবং এর আশেপাশেই ছিল মতিলাল নেহরু কলেজ, আত্মারাম সনাতন ধর্ম কলেজ ও শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর কলেজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
হাজার হাজার শিক্ষার্থীর বসবাস ও পড়াশোনার সুবাদে, ক্যাম্পাসের কাছাকাছি পিজি আবাসন খুঁজছেন এমন অনেকের কাছেই এই এলাকা বসবাসের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়।