আমরাই এক নম্বর, দাবি আজমলের

21


নিউজ ডেস্ক: নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন এআইইউডিএফ সুপ্রিমো বদরউদ্দিন আজমল। নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলছেন, আমরাই এক নম্বর। অন্য কোনও প্রার্থী আমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না। এই নির্বাচনে আমরা জিতব, দ্বিতীয় হবে বিজেপি, কংগ্রেস থাকবে তিন নম্বরে, দাবি আজমলের। এরপর তাঁর মন্তব্য, নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে ততই সবকিছু পরিষ্কার হবে।
কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে আজমল বলেন, কংগ্রেস সবসময় সেই পুরনো বুলি আওড়ায়, সেই পুরনো অভিযোগই তোলে। কংগ্রেস এখন ছয় নম্বর অবস্থানে রয়েছে। তাই বুলি আওড়ানো ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।
বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস শর্মার মুসলিম ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর প্রচেষ্টা নিয়ে কটাক্ষ করে আজমল বলেন, শুধু টুপি পরা বা মুসলিম ভোটারদের সঙ্গে নমাজ পড়লেই তাদের মধ্যে আস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি যদি টুপি পরেন, মুসলিম ভোটারদের সঙ্গে নমাজ পড়েন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাতে ভোটারদের মনে বিশ্বাস জন্মাবে না। তাঁকে কলমা পড়তে হবে, আজমল বলেন।
এই নির্বাচনে এআইইউডিএফ, বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে মূল লড়াই হতে যাচ্ছে। তিনটি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর বর্তমানে ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে।
নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনে জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন আজমল। বুধবার রূপহীহাট বিধানসভা কেন্দ্রের হাতিজয়ুয়া, নগাঁও-বটদ্রবা কেন্দ্রের শান্তিজান বাজার, ধিং বিধানসভা কেন্দ্রের কালা বাজার ও পোয়ালি বাজার এবং লাহরিঘাট কেন্দ্রের বরিবাজারে জনসভা করেন তিনি।
ধুবড়ির প্রাক্তন সাংসদ আজমল নগাঁও উপনির্বাচনের মাধ্যমে লোকসভায় ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুত বরদলৈ পদত্যাগ করার পর এবং পরবর্তীতে বিজেপির টিকিটে দিশপুর থেকে বিধায়ক করার পর এই আসনটি শূন্য হয়েছিল।
বদরুদ্দিন আজমল অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী দেবাশিস শর্মার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বলেন, হিমন্ত মিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার কথা বলছেন। আবার তাদের কাছেই ভোট চাইছেন। দেবাশিস শর্মা মিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের ‘বাংলাদেশি’ এবং ‘পাকিস্তানি’ বলে অভিহিত করেছেন।
এই আসনে বিজেপি প্রাক্তন নগাঁও ডেপুটি কমিশনার দেবাশিস শর্মাকে এবং কংগ্রেস প্রাক্তন বটদ্রবা বিধায়ক শিবমণি বরাকে প্রার্থী করেছে।