দিল্লি মেট্রোর ৫৭ রেলস্টেশন বন্ধ করল পুলিশ!

24

নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানেশকুমারের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থান-বিক্ষোভ সামলাতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭ স্টেশন বন্ধ করল প্রশাসন। এ ছাড়া নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনেও ট্রেন ঢোকা ও বন্ধে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। রাজধানীর যন্তরমন্তর ও অন্যান্য স্থানে বিক্ষোভের সময় সংবেদনশীল এলাকাগুলোর দিকে বিশৃঙ্খল জনস্রোত ধেয়ে আসার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনকে ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি রেল কর্পোরেশনের অধীনে রয়েছে তিনশোর বেশি স্টেশন।
শুক্রবার রাত ৯টা থেকে শুরু করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই স্টেশনগুলোর প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ রাখা হবে। এ ছাড়া স্টেশনগুলোর মধ্য দিয়ে চলাচলকারী মেট্রো ট্রেনের সংখ্যাও কমানো হতে পারে। যেসব প্রধান স্টেশন এই পরিস্থিতির কারণে প্রভাবিত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, নয়াদিল্লি, প্যাটেল চক, জনপথ, মান্ডি হাউস, বারখাম্বা রোড, আইটিও, দিল্লি গেট, খান মার্কেট, লোক কল্যাণ মার্গ, উদ্যোগ ভবন, কাশ্মীর গেট, হউজ খাস, আইএনএ এবং লাজপত নগর।
এই বিধিনিষেধের ফলে শহরের বিভিন্ন অংশে যাতায়াত ব্যাহত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন এবং নিত্যযাত্রীদের ব্যবহৃত রুটগুলো।
শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশকুমারের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টি-র ডাকা বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টিকে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, বিক্ষোভের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে কারণ নিয়ম অনুযায়ী ১০ দিন আগে যে আগাম নোটিশ বা তথ্য জানানোর কথা ছিল, তা পাওয়া যায়নি। জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বলেছে পলিশ।
মধ্য দিল্লির কিছু এলাকায় ১৬৩ ধারা কার্যকর রয়েছে। পুলিশ সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই বিধিনিষেধ অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নয়াদিল্লি এবং হযরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশনে শনিবার ভোর ৪টে থেকে দুপুর ২টোর মধ্যে পৌঁছানোর কথা ছিল এরকম সব ট্রেনের ক্ষেত্রে বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলোকে তাদের যাত্রার শুরুর স্টেশন থেকেই বাতিল করা হয়েছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে যে শনিবার যন্তরমন্তর সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করা হবে। ইতিমধ্যে মদের দোকান বন্ধের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।