নিউজ ডেস্ক: লোকসভার রাহুল গান্ধীর ‘অন্ধভক্ত’ সংক্রান্ত একটি মন্তব্য করেন আর সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নিজেই ট্রোলের শিকার হলেন পশ্চিমবঙ্গের এক সহকারী অধ্যাপিকা অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের একজন সহকারী অধ্যাপিকা হিসেবে নিজের পরিচয় দেওয়া অর্পিতা চ্যাটার্জি এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট শেয়ার করে দাবি করেন যে, তাঁর দুটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে এবং তিনি পিএইচডি করছেন। একই সঙ্গে তিনি ‘অন্ধভক্ত’দের নিয়ে রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই তাঁর লেখার ব্যাকরণ ও বানান ভুলের জন্য নেট নাগরিকরা তাঁকে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি পোস্টে লিখেছেন, “প্রিয় রাহুল গান্ধী, আমি একজন গর্বিত অন্ধভক্ত এবং একজন সহকারী অধ্যাপক। আমার দুটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি (ইংরেজি এবং শিক্ষা) ও বি.এড. ডিগ্রি রয়েছে এবং আমি পিএইচডি করছি। আপনার মতে একজন অন্ধভক্ত হল একজন মূর্খ। আমি কি মূর্খ! আপনি কি নিশ্চিত?”
রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করার উদ্দেশ্যে পোস্টটি করা হলেও পোস্টটিতে সমালোচনার পরিবর্তে তাঁর ব্যাকরণগত দিকের ওপরই বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন যে, ইংরেজি ও শিক্ষা উভয় বিষয়েই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকার দাবি করা সত্ত্বেও তাঁর পোস্টে একাধিক ব্যাকরণগত ভুল ছিল। তাঁর লেখার ব্যাকরণ ও বানান ভুলের জন্য নেট নাগরিকরা তাঁকে তীব্র সমালোচনা করেন।
একজন বলেছেন “তুমি আসলেই একজন বোকা। তোমার ইংরেজিতে মাস্টার্স ডিগ্রি আছে, তবুও তুমি এই পোস্টে প্রায় সাতটি ব্যাকরণগত ভুল করেছ।”

একজন কটাক্ষ্য করে বলেছেন, “ম্যাম, আপনার ডিগ্রি এবং ওপরের বক্তব্যটি প্রমাণ করে যে আপনি সাক্ষর কিন্তু শিক্ষিত নন।
অন্যদিকে ট্রোলের শিকার হয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ওই সহকারী শিক্ষিকা, ‘হ্যাঁ, আমার পোস্টে কিছু ব্যাকরণগত ভুল ছিল। আমি আবেগতাড়িত হয়ে এটি লিখেছিলাম এবং কোনও যাচাই-বাছাই বা ‘প্রুফরিডিং’ ছাড়াই পোস্ট করেছিলাম। শিক্ষাগত পটভূমি যা-ই হোক না কেন, এমনটা যে কারো হতে পারে। টাইপিং বা ব্যাকরণগত দু-একটি ভুল কারো দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, শিক্ষকতা, গবেষণা বা পেশাগত কাজের যোগ্যতাকে মুছে ফেলে না। আমি যে মূল প্রশ্নটি তুলেছিলাম, তার উত্তর এখনএ মেলেনি। আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। আমার ব্যাকরণ সংশোধন করা যেতে পারে। কিন্তু এর কোনওটিই আমার তোলা প্রশ্নটিকে বদলে দেয় না কিংবা প্রশ্নটিকে উপেক্ষা করার যৌক্তিকতাও তৈরি করে না।’