পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:ফের কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। নিউ মার্কেট, শিয়ালদার পর এবার চিৎপুর। আজ সকালে চিৎপুরের নবাবপট্টিতে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১১টি ইঞ্জিন। গল গল করে ধোঁয়া চারিদিকে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়েছে দমকলের পক্ষ থেকে । ঘটনাস্থলে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সিভিল ডিফেন্স, সিইএসচি ও পুলিশ।
আজ ছুটির দিন হওয়ায় কারখানা বন্ধ ছিল। ভিতরে কেউ রয়েছে কি না, তা জানার জন্য গ্যাস কাটার দিয়ে ভাঙা হয়েছে গেট। কিন্তু এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটলো সেটা এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি।
আজ বেলায় রাসায়নিক কারখানায় আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। ওই কারখানার ভিতর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ওই কারখানার আশেপাশে আরও বেশ কিছু কারখানা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রথমে ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন পৌছলেও আগুন যাতে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায় তাই আরও ছটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে।

হোসপাইপের মাধ্যমে চারিদিক দিয়ে জল দেওয়া হয়। তারপর আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেন দমকল কর্মীরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়।
এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে ভেতরে কোথাও আগুন রয়েছে কিনা, সেটাই দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোথাও আগুন না থাকলে কুলিং প্রসেস শুরু হবে। এর পরবর্তী ক্ষেত্রে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এসে দেখবেন আগুন কী জন্য লেগেছে।
সম্পূর্ণ আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে ভিতরে দেখা হবে কেউ আটকে রয়েছেন কিনা। আজ কারখানা বন্ধ থাকায় কেউ আটকে থাকার সম্ভাবনা নেই। এই কারখানায় অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা সঠিক ছিল কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।