বন্যার্তদের সহায়তায় গোর্খা কাউন্সিল

21

নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনের। এখনও ১১ হাজারের বেশি মানুষ রয়েছে বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে। বন্যায় ধুয়ে গেছে ঘরবাড়ি, পোষা জীবজন্তু। এই পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছে শিবসাগরের গোর্খা উন্নয়ন পরিষদ। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রেম তামাং বলেছেন যে ১৯ জুলাইয়ের অভূতপূর্ব বন্যায় বহু ঘর ভেসে গেছে, রাস্তায় কাদামাটির স্তর পেরিয়ে হাঁটাও অসাধ্য। বন্যায় প্রতি বছর বন্যা হয়। কিন্তু শিবসাগরে এরকম পরিস্থিতি কখনো দেখিনি। বন্যার জলের সঙ্গে ভেসে এসেছে প্রচুর কাদামাটি, উপড়ে নিয়েছে বাঁশ ও বিভিন্ন গাছ, এমনকি জলের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বহু কংক্রিটের কাঠামো।
তাঁর মতে, শিবসাগর জেলার বিহুবরের নেপালি খুঁটি ও হিলোনি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। নেপালি খুঁটিতে ছিল ২৮৩ বাড়ি। এর মধ্যে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৫-২০। বাকি বাড়িঘর হয় ভেঙে গেছে, না হয়ে ভেসে গেছে। থাকার উপায় নেই। অসমের সব জায়গা থেকে ত্রাণসামগ্রী আসছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার রয়েছে অন্যত্র, তাদের কাছে ত্রাণসামগ্রী ঠিকঠাক পৌঁছনো যাচ্ছে না। সেজন্যই আমরা ত্রাণসামগ্রী জড়ো করার ক্যাম্প করেছি। এ ছাড়া যাদের ঘর ভেসে গেছে তাদের থাকার জন্য স্বল্পস্থায়ী ঘর তৈরি করব। যতদিন না তারা নিজের ঘরবাড়ি ঠিক করতে পারছে আমাদের ক্যাম্প চলবে।

প্রেম তামাং বলেন, এখানকার অধিকাংশ বাসিন্দারই জীবিকা ডেয়ারি ফার্মিং। গরু ও দুধের ব্যবসা করে অধিকাংশ বাসিন্দা। কিন্তু বন্যরা জলে অধিকাংশ গরু-মহিষ ভেসে গেছে। বন্যায় শুধু নেপালি খুঁটির অন্তত এক হাজার গরুর মৃত্যু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দিখৌ নদীর পাড়ে গার্ডওয়াল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।