অসমে বন্যায় মৃত ৮৭, এখনও প্রভাবিত প্রায় দেড় লক্ষ বাসিন্দা

23

নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনের। তবে বন্যার জল খানিকটা কমেছে। এখনও আক্রান্ত ১.২৮ লক্ষ বাসিন্দা।
অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ বিবৃতি অনুযায়ী সাতটি জেলায় ২৪টি রাজস্ব চক্রের ৩৮০ গ্রামে এখনও বন্যার জল রয়েছে। সেখানে বন্যার্তদের সংখ্যা ১,২৮,০৭১। এই সাতটি জেলা হল চরাইদেও, শিবসাগর, গোলাঘাট, ধেমাজি, গোলাঘাট, যোরহাট এবং লখিমপুর।


সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিবসাগর জেলার বাসিন্দারা। শিবসাগরে এখনও বন্যার্তদের সংখ্যা ৫৫,২০০। এরপরই রয়েছে চরাইদেও ৩৪,০৬০, গোলাঘাটে ১০,২০১ এবং তারপর ধেমাজিতে ৮,৩৩৩ বাসিন্দা বন্যার্ত। বন্যার্তদের সংখ্যা লখিমপুর ও বিশ্বনাথ খুব সামান্য।


এখনও জলের তলায় রয়েছে ১২,২৩০ কৃষি জমি। সবচেয়ে বেশি কৃষিজমির ক্ষতি হয়েছে চরাইদেও জেলায়। এরপর রয়েছে শিবসাগর, গোলাঘাট, ধেমাজি, লখিমপুর, যোরহাট এবং বিশ্বনাথ জেলা।


উজান অসমের চারটি জেলায় প্রশাসন এখনও ৫৫ আশ্রয় শিবির এবং ১৭টি ত্রাণবণ্টন কেন্দ্র চালাচ্ছে। আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন ১১ হাজার বাসিন্দা। এই বাসিন্দাদের মধ্যে ৪৮৩৫ পুরুষ, ৪৭৩৮ মহিলা এবং ১৪৬২ শিশু। এর মধ্যে রয়েছে ২৪ অন্তঃস্বত্তা এবং সাতজন বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ। আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন সবচেয়ে বেশি মানুষ শিবসাগরে, এরপরই রয়েছে যোরহাট ও ধেমাজি।
গোলাঘাটের নুমলিগড়ে ধনসিড়ি নদীর জল বইছে বিপদসীমার ওপরে। তবে অসমের অন্য কোনও নদীর জলস্তরে বিপদসীমার ওপরে যায়নি। অসম সরকার, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক দলের কর্মীরা এব সাধারণ মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছে বন্যার্তদের সহায়তায়।