নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়াবহ বন্যায় পীড়িত এখনও অন্তত চারটি জেলা। বন্যার্তদের জরুরি সহায়তায় সোমবার ১১২ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে সরকার। বন্যার্ত ৭৫ হাজার পরিবার পাবে সহায়তা হিসেবে এককালীন ১৫ হাজার টাকা, জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
সোমবার ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে ৬০ হাজার পরিবারকে। এই সংখ্যা ৭৫ হাজার পর্যন্ত বাড়তে পারে, জানিয়েছেন হিমন্ত। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা পাচ্ছেন শিবসাগরের ৩৫ হাজার, চরাইদেওর ১৯ হাজার, যোরহাটের ৪ হাজার এবং গোলাঘাটে দুহাজার পরিবার।
চরাইদেও এবং শিবসাগর জেলার বন্যাপীড়িতদের অনেকেই এখনও বাড়ি ফিরতে পারছে না। তাঁদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, ৯ আগস্ট পর্যন্ত যারা বাড়ি ফিরতে পারবে না তাদের আরও ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর এই টাকায় সংস্কার করতে পারবে তারা।
১০ আগস্ট থেকে শিবসাগর, চরাইদেও, যোরহাট এবং গোলাঘাট জেলায় বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন শুরু হবে। ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট দেখে সরকারি বিধিনিয়ম অনুযায়ী আরও সাহায্য দেওয়া হবে পীড়িত পরিবারকে, জানিয়েছেন হিমন্ত।
এইসঙ্গে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, শিবসাগর ও চরাইদেও জেলার বন্যা পীড়িতদের জুলাই মাসের বিদ্যুতের মাশু দিতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর প্রকল্পের অধীনে তাদের এই ছাড় দেওয়া হবে। তাদের বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হবে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে।
অসমে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ৮৫ জনের। এখনও ১.৩৬ লক্ষ বাসিন্দা বন্যায় প্রভাবিত। চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাট, গোলাঘাট ও ধেমাজির ৩৩৫ গ্রাম এখনও জলের তলায়। ১৫,৪২২ কৃষিজমি জলে ধুয়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক ফসলের।