HEAVY RAIN: মেঘালয়ে প্রবল বৃষ্টির প্রভাব বাংলাদেশে

99

নিউজ ডেস্ক : মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পাহাড়ে অবিশ্রান্ত বর্ষণ। শুধু মওসিনরামেই ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৫২৬ মিলিমিটার। চেরাপুঞ্জিতে সাম্প্রতিক মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ফলে ব্যাপক বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হয়েছে, যা এই অঞ্চলের পাশাপাশি ভারতের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ এলাকাতেও প্রভাব ফেলেছে। ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে ৪৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেখানে ৮১১ মিলিমিটার পর্যন্ত দৈনিক বৃষ্টিপাতের খবরও পাওয়া গেছে, যা জুন মাসে ১৯৯৫ সালের পর সর্বোচ্চ।

এই বৃষ্টির পরিমাণ এতই বেশি যে রাজস্থানের যোধপুর বা বিকানিরে ছয় মাসে এর চেয়ে কম বৃষ্টি হয়। লন্ডনে এক বছরে বৃষ্টির পরিমাণ গড়ে ৬০০ মিমি। আর মওসিনরামে একদিনেই ৫২৬ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বর্ষণের জেরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শিলং-ডাউকি জাতীয় সড়কের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে। সোহরা রামকৃষ্ণ মিশন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ৪৭০.৪ মিমি আর সোহরাতে বৃষ্টিপাত ৩৩২ মিমি। এখানেই শেষ নয়, আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে যে ২৫ জুন পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে।

খাসি পাহাড়ের ১৪০০ মিটার উচ্চতায় মওসিনরাম। এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১১, ৮৭২ মিমি। যদিও মওসিনরামে একদিনে সর্বাধিক বৃষ্টি হয়েছিল ২০২২ সালের ১৭ জুন, ১,০০৩ মিমি। ১৯৭৪ সালে চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টি হয়েছিল ২৪,৫৫৫ মিলিমিটার। কিন্তু পরবর্তীকালে বৃষ্টির ধরন বদলে যাওয়ায় মওসিনরাম হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল অঞ্চল।

বায়ুদূষণের জেরে মওসিনরামের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১০,২০০ মিলিমিটার থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৮,৮০০ মিলিমিটারে। এদিকে, ৪২ বছর ধরে চেরাপুঞ্জির বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রতি বছর প্রায় ২৭.১৫ মিলিমিটার করে কমেছে। চেরাপুঞ্জি বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ৮,১৩২ মিলিমিটার।