নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নকে মাথায় রেখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প শুরু করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এবারের নির্বাচনে পাল্টা অন্নপূর্ণা যোজনার ঘোষণা করেছে নতুন বিজেপি সরকার। আগামী বুধবার থেকেই মহিলারা ৩০০০ টাকা করে পেতে শুরু করবেন। কিন্তু দিন কয়েক আগেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে এদিন ভুয়ো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, সিট গঠন করে এই তদন্ত চালাতে বলা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজিকে অবিলম্বে এই সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ভুয়ো নামে কারা কারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এতদিন পেয়েছেন এবং কাদের কারসাজিতে তা হয়েছে, কোনও সরকারি অফিসার বা কারা জড়িত গোটাটাই এই তদন্তের আওতায় আসবে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘোষণার পর চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
সরকারি সূত্রে খবর, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়ার জন্য ফর্ম ফিল-আপের সময়ই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বহু কারচুপির তথ্য সামনে আসবে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন ফের একবার জানান, ‘সরকারি সুবিধা পাওয়ার জন্য সমস্ত রকমের দুর্নীতি একেবারে তৃণমূল স্তর থেকেই উপড়ে ফেলা হবে।’ তিনি আরও জানান, ‘আগামী বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেতে শুরু করবেন মহিলারা।’
এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে প্রাথমিক তদন্তের ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদে ২২ জনের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ৩ জনের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। জনৈক মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী ১৫টি অ্যাকাউন্টের টাকা পেয়ে এসেছেন। আরেকজন তারিকুর রহমান ৬টি অ্যাকাউন্টের টাকা পেয়েছেন। যাঁরা আয়করদাতাদের টাকা এভাবে আত্মসাৎ করেছেন তাদের গ্রেফতার করা হবে।’