মমতামুক্ত বাংলা’, রাহুলমুক্ত দিল্লি ডাক নীতিন নবীনের

17

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা :বাংলা মমতামুক্ত হয়েছে। তাই দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ধর্মতলায় বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচি থেকে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।

পাশাপাশি বাংলা থেকে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে গেছে, তেমন দিল্লি থেকেও রাহুল গান্ধীকে সরিয়ে দিতে হবে।

এই সভা থেকে বিরোধীদের কটাক্ষ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এসআইআর মানে কী, সেটাও স্পষ্ট করে দেন। তিনি জানান, “এসআইআরের অর্থ হল, অনুপ্রবেশকারী

রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সভা করেন ইন্ডি জোট।‌ এই ইন্ডি জোটের কর্মসূচির পাল্টা কর্মসূচি হল বিজেপি -র আজকের এই মিছিল। যার নেতৃত্বে ছিলেন নীতিন নবীন , শুভেন্দু অধিকারী সহ নেতৃত্ব।

দেশের বিভিন্ন শহরে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মসূচি পালিত হয় কলকাতাতেও। কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন নীতীন নবীন। মিছিলটি শেষ হয় ধর্মতলায়। সেখানে সভা থেকে বিরোধীদের কটাক্ষের পর কটাক্ষ করতে থাকেন নীতীন নবীন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র বাঁচানোই মূল লক্ষ্য বিজেপির। বিজেপির কাছে দেশ সবার আগে, ব্যক্তি পরে। বিরোধীদের কাছে ব্যক্তিস্বার্থ সবার আগে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও শোনা যায় তাঁর মুখে। তিনি জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা থেকে তোলাবাজি শেষ হয়ে গিয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘অনুপ্রবেশকারী ভাগাও’ স্লোগান তুলে কলকাতার রাজপথে নেমেছে বিজেপি। এই কর্মসূচিতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সমাবেশ হয়েছে। দুর্নীতি টিকিয়ে রাখতেই বিরোধীরা এখন একত্রিত। কিন্তু জনতার সমর্থন বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।