‘দোষারোপ নয়, একত্রে কাজ করা জরুরি’ হিমন্তর মন্তব্যের জবাব নাগাল্যান্ডের মন্ত্রীর

17

নিউজ ডেস্ক: বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে পরস্পরকে দোষারোপ কোনও উদ্দেশ্য সফল করতে পারে না, বরং প্রতিবেশী দুই রাজ্যের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা জরুরি, বলছেন নাগাল্যান্ডের পর্যটন ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী তেমজেন ইমনা আলং।
নাগাল্যান্ডের অবৈধ খননের জন্য অসমে বন্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, এরকম ধারণা গত কয়েকদিন ধরে বন্যার্তদের মুখে শোনা গেছে। এই বিতর্কে নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অসম ও নাগাল্যান্ড দুটি রাজ্যেকই বিপুল ক্ষতি হয়েছে। এরপর তেমজেন বলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা যা বলেছেন সেটা নাগাল্যান্ড সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। তবে আমরা নিশ্চিত অসম ও নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন।
তেমজেন বলেন, বন্যার জেরে নাগাল্যান্ডের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। শুধু বৃষ্টি নয়, ভূমিধসের ফলে সেতু ভেসে গেছে, বাড়িঘর ভেঙেছে, মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং স্বাভাবিক জীবন বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। আমরা পরস্পরকে কোনও কারণেই দোষারোপ করতে পারি না। এখন দরকার যৌথ প্রচে,্টা। নাগাল্যান্ড সরকার এবং নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী সেটাই দেখছেন।
নাগাল্যান্ডের শক্তিশালী সংগঠন কন্যাক ইউনিয়ন সেই রাজ্যে অবৈধ খননের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেমজেন বলেছেন, আমরা দায়িত্বশীল নাগরিক। আমাদের কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করা উচিত নয়। আমরা আশা করি অসমে আমাদের বন্ধুরাও একই কাজ করবেন। এমন কোনও মন্তব্য করবেন না যাতে মানুষের মনে ক্ষোভ জন্মায়। আমাদের দরকার একত্রে কাজ করে মানুষের দুঃখ-যন্ত্রণা দূর করা, পরস্পরকে দোষারোপ করে কোনও লাভ নেই।
সম্প্রতি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছিলেন যে নাগাল্যান্ডে অবৈধ খনন তিনি বন্ধ করতে পারবেন না, কেননা অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তবে এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন।
এপ্রসঙ্গে নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী তেমজেন ইমনা আলং বলেন, আমরা জানি কীভাবে আবেগে আঘাত লাগে। নাগাল্যান্ড দায়িত্বশীল। আমরা খুব ছোট রাজ্য। অসমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আমরা প্রার্থনা করি এবং আশা করি নাগাল্যান্ডের বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের জন্যও অসম প্রার্থনা করবে। নাগাল্যান্ডে গাছ কাটা প্রায় বন্ধ। কিছু গাছ কাটা হয় সংলগ্ন অঞ্চলের সামাজিক পরিকাঠামো তৈরি এবং অত্যাবশ্যক কাজে।