পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:ভারতের নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক। বৈঠক শেষে স্পষ্ট করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন “দলের চেয়ারম্যান অরূপ রায় । একজন ‘চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট’-দল হাইজ্যাক করেছিল , যে পার্টি একটা পারিবারিক সম্পত্তিতে, একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয়েছিল— আমরা সবাই মিলে সেই একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়ছি।”
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ঋতব্রত শিবিরের নতুন কার্যনির্বাহী দশজন সদস্য নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বৈঠক।
সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে তাঁরা এটাই বারবার বুঝিয়েছেন, তাঁরাই আসল দল।
দল ভাঙা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন “আমাদের পক্ষে দুই-তৃতীয়াংশের চেয়েও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক , পুরসভার কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের সদস্য এবং জেলা পরিষদের সভাপতিরা আমাদের সঙ্গেই আছেন।”
গত ২২ তারিখে নিয়ম মেনে বৈঠক হওয়ার পরেই হওয়ার পরে, ২৩ তারিখ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানানো হয়। কমিশন সেই আর্জি মঞ্জুর করে। কমিশনও সমস্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখেছেন বলেও সূত্রের খবর। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির যথেষ্ট আশাবাদী, নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।
নাম না করে দলের যুব নেতৃত্বকে আক্রমণ করতেও ছাড়েননি ঋতব্রত। তিনি বলেন, “এখানে আমরা যারা আছি কেউ ব্যক্তি নই। আমাদের লড়াইটাই ব্যক্তি পুজোর বিরুদ্ধে।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন দলের পুরনো সদস্যরা তাঁর সঙ্গেই আছেন। তাঁর দাবি, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজ্যে যে বিপুল জনমত তৈরি হয়েছে, তা আসলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত। যারা বালি চুরি করেছে, বালির সিন্ডিকেট চালিয়েছে, কয়লা, ডলোমাইট কিংবা গোরু পাচারের সিন্ডিকেট চালিয়েছে—তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।”