ফের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ নিয়ে শুভেন্দুর আশ্বাস

101,519

নিউজ ডেস্ক: ১১ পাতার ফর্ম নিয়ে এখনও বিভ্রান্তি কম নয়। একটাই প্রশ্ন এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘সকলেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন তো?’ ব্যক্তিগত তথ্য কেন দিতে হবে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। এই অবস্থায় ফের একবার আশ্বাস দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারীর আশ্বাস, ‘চিন্তা নেই। বৈধ সব উপভোক্তাই টাকা পাবেন।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’ বহু জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে অনেক জালিয়াতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২২টি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, পুরুষেরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন। সেই সংখ্যা আরও বাড়বে। আর তা আটকাতেই অন্নপূর্ণা যোজনায় এত কড়াকড়ি।’

কেন বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ তা নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন রাকিবুল শেখের কথা। এই রাকিবুলের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরেই ‘লক্ষ্মী ভাণ্ডার’-এর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। কী ভাবে এক জন পুরুষ হয়ে এই সুবিধা পান রাকিবুল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘আমরা হিসাব করে দেখেছি, ভুয়ো ভাবে অন্তত ৩০ লক্ষ টাকা তোলা হচ্ছিল। আইনের মাধ্যমে একে বারে তৃণমূল স্তর থেকে এই দুর্নীতি রোধ করব।’ মুখ্যমন্ত্রীর জানান, ‘এটা অনেক বড় সংখ্যা হবে। পুলিশকে তদন্তের গতি আরও বাড়াতে বলেছি। এই সংখ্যাটা কত হবে আমি জানি না। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা তো পেতেনই, তা ছাড়া হাজার হাজার তৃণমূল নেতা মহিলা না-হয়েও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছিলেন। যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা লুট করছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়ব না। আমি ডিজিপি-কে বলেছি সিট গঠন করতে।’

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস বুধবার থেকেই ঢুকবে ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ টাকা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘গত দু’-তিন ধরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও কিছু বিভ্রান্তি, কিছু মিথ্যা প্রচার যাঁরা চালিয়েছিলেন, এখন তাঁরা নিজেরাই ফর্ম ফিল আপের জন্য এগিয়ে এসেছেন। আমরা এর আগে অফলাইনে চালু করেছিলাম। আজ থেকে অনলাইনেও চালু হয়ে গিয়েছে। ২০ জন আধিকারিক জেলায় জেলায় গিয়ে এই কাজ নজরদারি করছেন। আমরা আশা করছি, বুধবার বড় সংখ্যায় উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে শুরু করব।’