কোন কোন মাঠে হবে ফুটবলের মহারণ?

64,248

নিউজ ডেস্ক, গুয়াহাটি : ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডার মোট ১৬টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামে। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের এই সুবিশাল টুর্নামেন্টে মোট ১০৪টি ম্যাচ খেলা হবে। ২০২৬ সালের ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচ এবং ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

৩ আয়োজক দেশের মাঠগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হল। মেক্সিকোর ৩টি ফুটবল স্টেডিয়ামে আযোজিত হবে বিশ্বকাপের ম্যাচ।

বানোর্তে স্টেডিয়াম
এটি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু এবং এর দর্শক আসন সংখ্যা প্রায় ৭২,৭৬৬। পেলে এবং ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ জয়ের সাক্ষী এই ঐতিহাসিক মাঠটি বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করতে যাচ্ছে।

অ্যাক্রন স্টেডিয়াম
আধুনিক স্থাপত্যের এই সুন্দর স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৪,৩৩০ জন। এই স্টেডিয়াম মেক্সিকোর ফুচবল ক্লাব ‘চিভাস’-এর হোম গ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত।

এস্তাদিও বিবিভিএ
পাহাড় ঘেরা এই মনোরম স্টেডিয়ামটিতে প্রায় ৫০,১১৩ জন দর্শক একসাথে খেলা দেখতে পারেন। এটি মেক্সিকোর অন্যতম আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ফুটবল মাঠ।

মেক্সিকোর পাশাপাশি কানাডার ২ টি স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে ফুটবলের মহারণ।

বিসি প্লেস স্টেডিয়াম

দৃষ্টিনন্দন ও পরিবর্তনযোগ্য ছাদবিশিষ্ট (Retractable roof) এই স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা প্রায় ৫৪,০০০। এর আগে ২০১৫ সালের নারী বিশ্বকাপের সফল ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠে।

বিএমও ফিল্ড স্টেডিয়াম
কানাডার প্রথম ফুটবল-নির্দিষ্ট স্টেডিয়াম এটি, যার ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৪,৩১৫ জন। বিশ্বকাপ উপলক্ষে সাময়িকভাবে এর আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

মেক্সিকো, কানাডার পাশাপাশি আমেরিকার ১১টি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজিত হবে। আমেরিকার স্টেডিয়াম গুলি মূলত সেখানকার জনপ্রিয় এনএফএল (NFL) বা আমেরিকান ফুটবলের বিশাল স্টেডিয়াম, যেগুলোকে ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।

মেট লাইফ স্টেডিয়াম
টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু এই স্টেডিয়াম। জনপ্রিয় এই স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা প্রায় ৮২,৫০০।

এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম
এবারের বিশ্বকাপের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি—৯টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই স্টেডিয়ামে। বিশাল জায়ান্ট স্ক্রিন এবং আধুনিক ছাদের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম।

এসওএফআই স্টেডিয়াম
বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক এই ইনডোর স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৭০,০০০।

মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম
এখানে সেমিফাইনাল সহ মোট ৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর ছাদটি জ্যামিতিক নকশায় চক্রাকারে খোলে ও বন্ধ হয়।

হার্ড রক স্টেডিয়াম
টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হবে এই মাঠে। এই স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা প্রায় ৬৫,০০০।

জিলেট স্টেডিয়াম
ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী মাঠের ধারণক্ষমতা ৬৫,০০০ জন। এখানে ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এনআরজি স্টেডিয়াম
টেক্সাসের এই স্টেডিয়ামটিতে বিশ্বের প্রথম পরিবর্তনযোগ্য ছাদ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, আসন সংখ্যা প্রায় ৭২,০০০।

লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়াম
ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারির প্রচণ্ড শব্দ বা ‘ফ্যান নয়েজ’-এর জন্য এই মাঠটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। আসন সংখ্যা ৬৯,০০০।

লিঙ্কন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ড
ফিলাডেলফিয়ার এই স্টেডিয়াম ২০০৩ সালে উদ্বোধন করা হয়। এই মাঠে বিশ্বকাপের ৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

কানসাস সিটি স্টেডিয়াম
এটি বিশ্বের অন্যতম কোলাহলপূর্ণ স্টেডিয়াম হিসেবে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে। আসন সংখ্যা প্রায় ৭৬,০০০।

লেভিস স্টেডিয়াম
ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব এবং সৌরশক্তি চালিত একটি আধুনিক স্টে