এবার দেবরাজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত করবে সিট

46

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলার তদন্ত করবে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এর আগে ১০টি অভিযোগ হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ আটটি অভিযোগের মামলা দায়ের করেছে।

সূত্রের খবর, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট দেবরাজের বিরুদ্ধে ৮ সদস্যের সিট গঠন করেছে। এবার সিট দেবরাজ ঘনিষ্ঠদের তলব করা শুরু করেছে। বিধাননগর পুর-নিগমের ছজন প্রাক্তন কাউন্সিলার ও দেবরাজ চক্রবর্তীর একজন ছায়া সঙ্গী রতন মৃধাকে নোটিস দিয়েছে সিট। আজ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এর মুখোমুখি হওয়ার কথা থাকলেও সিটের হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তাঁরা ।

সূত্রের খবর, অভিযোগকারীদের থেকেই দেবরাজের এক ছায়াসঙ্গী ও ছজন তৃণমূল কাউন্সিলারের ব্যাপারে জানা গিয়েছে। তোলাবাজির মামলায় সমরেশ চক্রবর্তী, সম্রাট বড়ুয়া ও মাইকেল নস্কর আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তারপর‌ই দেবরাজের ছায়া সঙ্গী তৃণমূল নেতা রতন মৃধাকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।

তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে বিধাননগর পুরসভার ছজন প্রাক্তন কাউন্সিলারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল। দেবরাজের ছায়াসঙ্গীকেও ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা কেউই বাগুইআটি থানায় হাজিরা দেননি।

সূত্রের খবর, তোলাবাজির মামলায় দেবরাজের হেফাজতের মেয়াদ শেষ হলেই তাঁর এবং অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে সম্পত্তি বহির্ভূত আয়ের উৎস সংক্রান্ত মামলার তদন্ত সিট শুরু করবে। সেক্ষেত্রে দেবরাজকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।‌

আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবরাজ। রক্ষাকবচ পাননি। গা-ঢাকা দিয়েছিলেন বিভিন্ন জায়গায়। মোবাইল ফোন বন্ধ করে লুকিয়ে ছিলেন পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের কাছে ঝাড়খণ্ড সীমান্তের একটি রিসর্টে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সাহায্যে ওই এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। তদন্তের সময় প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ওই এলাকার তৃণমূল নেতাদের ফোন নম্বর ট্র্যাক করে খোঁজ মেলে দেবরাজের। তাঁকে সাতদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বারাসত আদালত।