সেতুর অভাবে বিপর্যস্ত পডুয়ারা

49

নিউজ ডেস্ক: সেতু না থাকায় বন্ধ হয়ে গেল স্কুল! অন্ধকারে শতাধিক পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ। গল্প হলেও সত্যি এই ঘটনা বিজেপি শাসিত অসমের। অসমের গ্রামাঞ্চলের শোচনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার এটি একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।

জামুগুড়িহাটের ঘিলাধারি নদীর কাঠের সেতু ভেঙেছে আজ বহুদিন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ নয়া সেতু নির্মাণে কোনও গুরুত্ব দেয়নি। ২০১৮ সালের ঘটনা। বড় বড় অ্যালুমিনিয়ামের গামলায় বসে নদী পার হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল নেট দুনিয়ায়। ঘটনাটি শোরগোল ফেলেছিল গোটা দেশে। জেলা প্রশাসন থেকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছিল তোলপাড়।

সে সময়ের বিজেপি বিধায়ক প্রমোদ বরঠাকুর যাতায়াতের সুবিধার জন্য তৈরি করে দিয়েছিলেন কাঠের সেতু। কিন্তু তিন-চার বছরের মধ্যেই ভেঙে পড়ে সেতুটি। এরপর আজ পর্যন্ত কোনও সেতু তৈরি হয়নি ঘিলাধারি নদীর উপর। নদীর আশপাশে সেই সেতুর ধ্বংসাবশেষ আজও চোখে পড়ে। জায়গায় জায়গায় বেরিয়ে আছে লোহার রড। নদীর জলে উঁকি মারছে বেশকিছু লোহার পাত। পড়ুয়ারা স্কুলে আসতে না-পারায় বন্ধ হয়ে যায় পশ্চিম কুরায়াটি প্রাথমিক স্কুল। শুধু স্কুল বন্ধই নয়, সেতু না থাকায় সমস্যায় নদীর উভয় পারের মানুষ। চতিয়ার পলশনি এবং পশ্চিম কুরায়াটি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে ২০১৮ সালে যে পরিস্থিতি ছিল আজও সেই পরিস্থিতি বিশ্বনাথ জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম চতিয়ায়।