বন্যপ্রাণীর হানায় ৮ বছরে অসমে মৃত্যু ১১০০

19

নিউজ ডেস্ক: অসমের বিভিন্ন প্রান্তে বন্যপ্রাণীর হামলায় সাধারণ মানুষের মৃত্যু উদ্বেগজনক। গত ৮ বছরে বন্যপ্রাণীর আক্রমণে অসমে এগারোশোর বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে, বিধানসভায় জানিয়েছেন অসমের বনমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া।
কংগ্রেস বিধায়ক রেকিবুদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে জয়ন্ত মল্ল বরুয়া বলেন, ৩.১৫ লক্ষ হেক্টর সংরক্ষিত বনাঞ্চল এখনও দখলের কবলে রয়েছে। ২০১৬-২৪ এই সময়র্বে বন্যপ্রাণীর হামলায় অসমের ১১৪৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ২০২৫ সালে ১৩৮ জন, ২০২৩ সালে ১১৬ এবং ২০১৮ সালে ১১৫ জনের।
এই একই সময়পর্বে ২৪৬টা হাতির মৃত্যু ঘটেছে বিদ্যুৎস্পষ্ট, ট্রেন দুর্ঘটনা এবং বিষে। সবচেয়ে বেশি হাতির মৃত্যু ঘটেছে ২০১৭ সালে ৪২টি, ২০২৫ সালে ৩৬ এবং২০২৪ সালে ২৭টি। বনমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া বলেন, অসমে সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে ১৮,৩৩, ৫৯২ হেক্টর। এর মধ্যে এখনও অন্যের দখলে রয়েছে ৩,১৫,৯৯৭ হেক্টর।
এইসঙ্গে বনমন্ত্রী বিধানসভায় বলেছেন, ২০১৫-১৬ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত যে উচ্ছেদ অভিযান চলেছে তাতে ২৫,৫৮৮ হেক্টর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে বেআইনি দখলকারীদের থেকে।
বনমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে অসমের বন আচ্ছাদিত এলাকা ছিল ২৮,৩১৩ বর্গ কিলোমিটার, যা অসমের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ৩৬.১ শতাংশ। ২০১৭ সালে যা সামান্য বেড়ে হয়েছে ২৮,১০৫ বর্গ কিমি এবং অসমের মোট আয়তনের ৩৫.৮৩ শতাংশ। এইসঙ্গে জয়ন্ত মল্ল বরুয়া জানিয়েছেন, বন অধিনিয়ম, ১৯৮০-র অধীনে গত ৮ বছরে অসমে গাছ কাটা হয়েছে ২,৪২,০১৩টা।