বারুইপুরে ১৬৩ জারি, জমায়েত নিষিদ্ধ তিনটি থানা এলাকায়, গ্রেফতার ৩

32

পৃথা দাশগুপ্ত: নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার রণক্ষেত্র হয় বারুইপুর । আজ সকাল থেকে গোটা এলাকা থমথমে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় ও আইনশৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয় তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করল পুলিশ। বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর এবং সোনারপুর—এই তিনটি থানা এলাকায় অবিলম্বে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে।

এই নির্দেশিকা জারি হওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ট তিন থানা এলাকায় ৫ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েতের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি।

শনিবার থেকে নিখোঁজ থাকা বারুইপুরের ১২ বছরের এক নাবালিকার নিথর দেহ রবিবার পুকুর থেকে উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। উত্তেজিত জনতা নাবালিকার দেহ রাস্তায় আটকে রেখে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কিশোরীর খুনি সন্দেহে এক যুবককে ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা, যার জেরে পরে তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মোট গ্রেফতার ৩। আটক ২। রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত টানা অভিযানে আরও তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে সন্ধ্যায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় মোট পাঁচ জনক গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে বারুইপুর থানার পুলিশের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স -এর একটি দলও অভিযানে অংশ নেয়। বিভিন্ন সম্ভাব্য এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে লুকিয়ে থাকা সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করা হয়। পুলিশ দাবি করেছে, কোনও অভিযুক্ত যাতে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য রাতভর একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে।