সিকিমে মিথেন বিস্ফোরণে মৃত ১১

31

নিউজ ডেস্ক: সিকিমের ঝোলুঙ্গের সমরদাংয়ে এনএইচপিসি তিস্তা পর্যায়-৪ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গে মিথেল গ্যাস বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১১ শ্রমিকের। নির্মীয়মান সুড়ঙ্গের ভেতরে বিস্ফোরণের জেরে ভূমিধস, প্রাথমিক অনুমান প্রশাসনের।
সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১১শ্রমিকের দেহ। তাদের পাঠানো হয়েছে সিংটাম জেলা হাসপাতাল, গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতাল ও নামচি জেলা হাসপাতালে।
সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে বিস্ফোরণ ঘটে। মিথেল গ্যাস ছাড়ার সময় বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে সুড়ঙ্গের ভেতরে ভূমিস্খলনে প্রবেশ ও নিষ্ক্রমণ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকে পড়েন শ্রমিকরা।
কিছু শ্রমিক বিস্ফোরণের পর পরই বেরিয়ে যেতে পারলেও অন্তত ২৫ শ্রমিক সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে পড়ে। আটকে পড়া শ্রমিকের সঠিক সংখ্যা এখনও জানাতে পারেনি সিকিম সরকার।
নামচির ডেপুটি কমিশনার অনুপা তামলিং বলেছেন, প্রাথমিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে আটকে পড়া শ্রমিক ১৭ জন ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে ওখানে কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন সেটা হাজিরা খাতা দেখে বলতে হবে।
বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে নামে রংপো দমকল বাহিনী, কিন্তু অক্সিজেনের মাত্রা কম হওয়ায় এবং ভারী মাত্রায় মিথেন গ্যাস থাকায় তারা আর এগোতে পারেনি। কয়েকজন উদ্ধার কাজে নেমে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরে এনডিআরএফ উদ্ধার কাজে নামলেও মিথেন গ্যাসের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতির খোঁজ নিতে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
দুর্গতদের উদ্ধার, আর্থিক সাহায্যের জন্য সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে নেমেছে এনডিআরএফের পাশাপাশি এসডিআরএফ, এসএসডিএমএ, সিকিম পুলিশ, দমকল, রংপোর মেডিক্যাল টিম এবং স্থানীয় লোকজন। পাকইয়োং ও শিলিগুড়ি থেকে গিয়েছে বিশেষজ্ঞ দল।