লাবক চা বাগানে বাঘের আতঙ্ক, ফাঁদ পাতল বনবিভাগ

8

শাহাদাত আলি বড়ভুঁইয়া, লক্ষীপুর: কাছাড়ের লক্ষীপুরে লাবক চা বাগানে বাঘের আনাগোনা। একের পর এক গবাদি পশুকে আক্রমণের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র আতঙ্ক। বাঘের মতোই পায়ের ছাপ দেখা গেছে এলাকায়। ফাঁদ পাতল বনবিভাগ।

কাছাড় জেলার লক্ষ্মীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত লাবক চা বাগান এলাকার সালামতপুরে কয়েকদিন থেকেই বাঘের আনাগোনা। জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসা বাঘ। আক্রমণ করছে গৃহপালিত গবাদি পশুকে। ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। কদিন আগেই কাছের জঙ্গলে উদ্ধার হয়েছে একটি গরুর মৃতদেহ। লক্ষ্মীপুর বন দফতর এবং শিলচরের বন্যপ্রাণী শাখার একটি দল তদন্তে নেমেছে। বাঘ ধরতে ফাঁদ পাতা হয়েছে। তবে, এখনও খাঁচায় ধরা পড়েনি বাঘ। এলাকার বাসিন্দারা জানান, আগেও বেশ কিছু গরু উধাও হয়ে গেছে এলাকা থেকে। তখন তাঁরা ভেবেছিলেন হয়ত গরু চুরি হয়েছে। কিন্তু চার-পাঁচদিন আগে এলাকায় একটি গরুর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গরুটি বাঘের আক্রমণে মারা পড়েছে বলে বুঝতে পেরেই বন দফতরকে খবর দেওয়া হয়। বনবিভাগের দল একটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ এবং শাবকের পায়ের ছাপ দেখতে পায়। লক্ষীপুরের ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার রুমেল রংফার বাঘের উপস্থিতির কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ এবং তার সঙ্গে শাবক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বনকর্তা রুমেল রংফার এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করে দিয়েছেন। গ্রামের কাছে যেখানে বাঘের আক্রমণে গরু মরেছে, সেই এলাকায় কাউকে না যেতে বলা হয়েছে।

বাঘের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর ফাঁদ পাতা হয়েছে। তবে, এখনও খাঁচায় ধরা পড়েনি বাঘ। বন দফতরের লোকেরা গ্রামবাসীকে বলেছেন, বাঘ ধরা পড়তে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে।